August 31, 2009

কোর্সেয়ার নতুন হাইস্পিড মেমোরী Corsair launches 8/12GB high-speed memory kits for Core i5/i7 CPUs

ইন্টেলের Core i5 এবং Core i7 প্রসেসরের জন্য ৮ এবং ১২ গিগাবাইট মেমোরী মডিউল ঘোষনা করেছে। ডোমিনেটর নামের এই মডিউল আসলে ৪টি এবং ৬টি ২ গিগাবাইট মেমোরীর সমষ্টি। প্রথমটি ডুয়াল চ্যানেল আই-৫ প্রসেসরের জন্য এবং দ্বিতীয়টি ট্রিপল চ্যানেল আই-৭ প্রসেসরের জন্য। ৮ গিগাবাইট মডিউলে হিটসিংক ব্যবহার করা হবে এবং ১২ গিগাবাইট মডিউলের সাথে বাতাস চলাচলের জন্য ফ্যান থাকবে।

মডিউলদুটি যেভাবে সরবরাহ হবে সেটাই ভিন্ন, এছাড়া কারিগরী দিক থেকে কোন পার্থক্য নেই। এগুলি ১৬০০ মেগাহার্টজে কাজ করবে এবং সাধারন ১.৬৫ ভোল্ট ব্যবহার করবে।

এগুলির দাম জানানো হয়নি।

উল্লেখ করা যেতে পারে ডোমিনেটর নামে মেমোরী বাজারে যে পাওয়া যায় তাতে এতদিন হিটসিংক বা ফ্যান ব্যবহার হয়নি।

অলিম্পাসের নতুন ডিজিটাল এসএলআর Olympus E-600 dSLR

অলিম্পাস ই-৬০০ নামে নতুন একটি কমদামের ক্যামেরার ঘোষনা দিয়েছে। একে তাদের জনপ্রিয় ই-৬২০ এর কমদামী সংস্করন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবছরই ফেব্রুয়ারীতে ই-৬২০ ছাড়া হয়েছিল। দুটি ক্যামেরার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্যে মধ্যে রয়েছে ই-৬২০ থেকে Backlit বাটন বাদ দেয়া। এটার ফলে অল্প আলোতি কিংবা রাতে কন্ট্রোলগুলি দেখার সুবিধে পাওয়া যেত। এছাড়া ফার্মওয়্যাল পাল্টে তিনটি আর্ট ফিল্টার বাদ দেয়া হয়েছে। এসব পরিবর্তনের ফলে দাম ১০০ ডলার কমানো সম্ভব হয়েছে।

এই ক্যামেরায় ১৩.১ মেগাপিক্সেল (১২.৩ ইফেকটিভ) সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। আইএসও সেনসিটিভিটি ২০০ থেকে ৩২০০। একে সিএফ-১, ২, মাইক্রোড্রাইভ, এক্সডি ইত্যাদি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

অলিম্পাস ইডি-১৪-৪২ মিমি কিট লেন্স সহ এই ক্যামেরার দাম ৬০০ ডলার। নভেম্বর থেকে ক্যামেরাটি বাজারে পাওয়া যাবে।

প্যানাসনিকের ফ্লাশভিত্তিক নতুন ক্যামেরা Panasonic HDC-TM300

বছরখানেক আগে প্যানাসনিক হার্ডডিস্কভিত্তিক একটি উন্নতমানের ক্যামেরা বাজারে ছেড়েছিল, মডেল HDC-HS300 এখন তার ফ্লাশ মেমোরী ভিত্তিক ভার্শন বাজারে ছাড়া হল এর মডেল HDC-TM300 সব আলোতে নিখুত ভিডিও করার যে বৈশিষ্ট আগের মডেলে ছিল তার সবই অক্ষুন্ন রয়েছে এতে বরং হার্ডডিস্ক না থাকায় আকার এবং ওজন কমেছে, বর্তমান মডেলটি আরো সহজে হাতে ধরে ভিডিও করার উপযোগি

নতুন এই মডেলে ১২এক্স (৪৪.৯ - ৫৩৯ মিমি) অপটিক্যাল জুম সহ লেইকা লেন্স (৪ ৪৮ মিমি) তিনটি ১/৪.১ ইঞ্চি সিমোস সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে আগের মডেলের সাথে অতিরিক্ত সুবিধে হিসেবে ম্যানুয়েল কন্ট্রোল লেন্স রিং, ভিউ ফাইন্ডার, এক্সেসরি সু ইত্যাদি যোগ করা হয়েছে

বর্তমানের সব ক্যামেরাতেই ষ্টিল ইমেজের ওপর বেশ গুরুত্ব দেয়া হয় এই ক্যামেরার ক্ষেত্রেও সেটা করা হয়েছে এর নেটিভ রেজুলুশন ৮ মেগাপিক্সেল, ইন্টারপোলেটেড ১০ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে ফটো সাইজ, এসপেক্ট রেসিও, কোয়ালিটি ইত্যাদি পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে এছাড়াও ষ্টি ক্যামেরার মত সেল্ফ টাইমার, বার্ষ্ট মোড, ফ্লাশ ব্যবহার ইত্যাদি ফিচার রয়েছে ষ্টিল ছবির মানও তুলনামুলক ভাল

অডিও রেকর্ডিং এর জন্য বিল্ট-ইন ৫.১ সারাউন্ড ডলবি ডিজিটাল মাইক্রোফোন রয়েছে এতে এছাড়াও পৃথক মাইক্রোফোন ব্যবহারের জন্য মাইক্রোফোন জ্যাক রয়েছে সাউন্ড রেকডিং মনিটর করার জন্য হেডফোন জ্যাকও রয়েছে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বিষয়ে মধ্যে রয়েছে টাইম ল্যাপস রেকর্ডিং, ৩ সেকেন্ড প্রি-রেকর্ড, অটো ফোকাস এসিষ্ট ল্যাম্প, ফেডার ইত্যাদি

ক্যামেরাটির দাম ১৩০০ ডলার

August 30, 2009

আইফোনের বিষ্ফোরন, এপলের দায় অস্বীকার ‘exploding’ iPhones

বর্তমান বিশ্বের এপলের আইফোন সবচেয়ে লোভনীয় হতে পারে, ফ্রান্সের কিছু ব্যবহারকারী সেটা মনে করছেন না। তারা বলছেন এটা বিষ্ফোরিত হতে পারে, হঠাৎ করেই ডিসপ্লে ভেঙে যেতে পারে। তবে নিজেদের তদন্তের পর এপল বলছে এজন্য তাদের দায়ী করা যায় না।

তারা বলছে প্রতিটি ঘটনা তারা তদন্ত করে দেখেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাইরে থেকে শক্তির প্রভাবে ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তারা জানিয়েছে তারা অভিযোগ জানানো ফোনগুলি পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।

ভেঙে যাওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি তারা আইফোন থ্রিজিএস মডেলের ব্যাটারী অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তদন্ত করেছে। সেক্ষেত্রেও তাদের মত, অস্বাভাবিক কিছু নেই।

ফ্রান্সের ফ্রাঙ্ক বেনিটন এর অভিযোগ তার স্ত্রীর ফোনসেটটি নিজে থেকেই ভেঙে গেছে। এটি হাত থেকে পড়েনি কিংবা কোনকিছুর সাথে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।

ফ্রান্সের বানিজ্যমন্ত্রী এপলের সাথে আলোচনা করলেও কোন বক্তব্য দেননি। তবে ইউরোপিয়ান কমিশন Rapex নামে পরিচিত শতর্কতা জানিয়েছে। যার অর্থ বিপদজনক যন্ত্র।

ভারত তাদের স্যাটেলাইটের সাথে যোগাযোগ হারিয়েছে India loses communication with lunar satellite

ভারত জানিয়েছে তারা তাদের চাদ অভিযানে ব্যবহৃত একমাত্র স্যাটেলাইটটির সাথে সব ধরনের যোগাযোগ হারিয়েছে। চাদের চারিদিকে প্রদক্ষিনরত এই উপগ্রহের ওপর তাদের বিজ্ঞানীদের কোন নিয়ন্ত্রন নেই। শনিবার থেকে চন্দ্রন-১ নামের এই মহাকাশযানের সাথে সব ধরনের রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একে ৩১২ দিন আগে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৩,৪০০ বার চাদ প্রদক্ষিন করেছে।

ব্যাঙ্গালোরের ৩০ কিলোমিটার দক্ষি-পশ্চিমের যে ষ্টেশন থেকে একে নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছিল সেখান থেকে তারা কোন সিগনাল পাচ্ছেন না। সেখান থেকে তাদের মুখপাত্র এস. সতিশ একথা জানান।

২০০৮ সালের অক্টোবরে বিশ্বে ৬ষ্ঠ দেশ হিসেবে ভারত এটি প্রেরন করে। আর আগে একাজ করতে সক্ষম হয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, জাপান এবং চীন।

এর আগে সমস্যা দেখা দিলেও তা বিজ্ঞানীরা ত্রুটিমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ভারতের মহাকাশ পরিকল্পনায় রয়েছে ২০১১ সালে সংস্কৃত নামে একটি যান চন্দ্রপৃষ্ঠে নামানো।

সনির নতুন ফটোফ্রেম Sony Digital Photoframe


সনি অত্যন্ত আকর্ষনীয় ফটোফ্রেম বাজারে ছেড়েছে। বলা হচ্ছে এতে Swarovski Crystal ব্যবহার করা হয়েছে। জিনিষটি আসলে সরোভস্কির নিখুতভাবে কাটা কাচ। যে কোন যায়গায় ফ্রেমটি মানাসই।

এতে ৭ ইঞ্চি ৮০০-৪৮০ রেজুল্রশনের ডিসপ্লে রয়েছে। ধারনক্ষমতা ১ গিগাবাইট। ছবিকে নিজে থেকেই নির্দিষ্ট মাপের করে নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। একবারে ২০০০ ছবি রাখা যাবে।

একে সরাসরি ইউএসবি পোর্টে সংযোগ দিয়ে ইমেজ কপি করা যাবে। এছাড়া সনির মেমোরী ষ্টিক, এসডি, এমএমসি, এক্সডি, সিএফ সব ধরনের কার্ড সাপোর্ট করে। ফ্রেমটিকে লম্বালম্বি বা চওড়া যো কোনদিকে ঘুরিয়ে রাখা যাবে। এছাড়া ঘড়ি এবং ক্যালেন্ডার মোডে এটি ইলেকট্রনিক ঘড়ি বা ক্যালেন্ডার হিসেবে কাজ করবে।

ছবি নিজে থেকে পরিবর্তনের জন্য সেট করে নিতে পারেন, অথবা রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করে ইচ্ছেমত পরিবর্তন করতে পারেন। এর দাম ১৫০ ডলার। অনলাইনে সনিষ্টাইল (http://www.sonystyle.com/) থেকে এটি কেনা যাবে।

August 29, 2009

এপলের নতুন অপারেটিং সিষ্টেম Mac OS X 10.6 Snow Leopard বাজারে

এপল তাদের অপারেটিং সিষ্টেমের সর্বশেষ ভার্শন Mac OS X 10.6 Snow Leopard ঘোষনা করেছে এতে ফুল ৬৪ বিট মোড, কুইকটাইম এক্স, এক্সচেঞ্জ সাপোর্ট ইত্যাদি ফিচার যোগ করা হয়েছে এর আগের ভার্শন লেপার্ড থেকে দ্রুততার সাথে কাজ করে বলে জানা গেছে নতুন কোর টেকনোলজি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আগের চেয়ে ভালভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম এই অপারেটিং সিষ্টেম

এর ইন্টারফেস নতুনভাবে সাজানোর ফলে আগের চেয়ে সহজে প্রোগ্রাম, ফোল্ডার ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে এক্সচেঞ্জ সাপোর্ট যোগ করার ফলে মেইল, এড্রেসবুক ইত্যাদির ব্যবহার সহজ হবে ইতিমধ্যেই ম্যাকের জন্য আউটলুকের ঘোষনা দেয়া হয়েছে

অপারেটিং সিষ্টেমটি বিশেষভাবে ইন্টেল প্রসেসরভিত্তিক এপল কম্পিউটারের জন্য তৈরী আগের অপারেটিং সিষ্টেম থেকে এতে আপগ্রেড করার জন্য ২৯ ডলার দিতে হবে

সনি ফুলফ্রেম প্রফেশনাল এসএলআর ক্যামেরা Sony Alpha A-850 dSLR

নাইকন ডি-৭০০, ক্যানন ৫ডি মার্ক-২ কিংবা সনির আলফা এ-৯০০ যে কোন ফুলফ্রেম ডিজিটাল এসএলআর কিনতে গেলে লেন্স বাদে শুধুমাত্র ক্যামেরার জন্য খরচ হবে অন্তত আড়াই হাজার ডলার। একে আরো নামিয়ে ২ হাজারে আনার ঘোষনা দিয়েছে সনি। তাদের নতুন ফুল ফ্রেম এসএলআর আলফা এ-৮৫০ বিক্রি হবে এই দামে। আগামী অক্টোবর থেকে এই ক্যামেরা বাজারে পাওয়া যাবে।

সাধারন সনি ক্যামেরা নিয়ে ব্যবহারকারীদের যথেষ্ট অভিযোগ থাকলেও এসএলআরের বিষয়ে কোন অভিযোগ নেই। তাদের এ-৯০০ প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের রীতিমত পছন্দের। নতুন ৮৫০ মডেলটিও এ-৯০০ এর মতই। ২৪.৬ মেগাপিক্সেল সেন্সর, ৯ পয়েন্ট অটোফোকাস, সাথে ১০ এসিষ্ট পয়েন্ট, ৩ ইঞ্চি ডিসপ্লে। ক্যামেরার গঠন একেবারে এ-৯০০ এর মত।

দাম কমানোর পেছনে তিন কারন লক্ষ্য করা যায়। এ-৯০০ এর সেকেন্ডে ৫টি ছবির বদলে এতে সেকেন্ডে ৩টি ছবি উঠানো যাবে। ভিউ ফাইন্ডার আগের ১০০% এর তুলনায় ৯৮% কাভার করবে, এবং এ-৯০০ এরসাথে যে রিমোট দেয়া হত ৮৫০ এর জন্য সেটা পৃথকভাবে কিনতে হবে।

ক্যামেরাটি আকারে নাইকন ডি-৭০০ থেকে কিচুটা বড় এবং ক্যানন ৫ডি থেকে কিছুটা ভারী। এতে সিএফ, মেমোরী ষ্টিক, মাইক্রোড্রাইভ ইত্যাদি কার্ড ব্যবহার করা যাবে। এক চার্জে এতে ৮৮০টি ছবি উঠানো যাবে।

August 28, 2009

Samsung S5230 Star, ৪ মাসে ৫০ লক্ষ বিক্রি

টাচস্ক্রিন ফোনের দাম এখনো সাধারনের নাগালের মধ্যে আসেনি, এরই মধ্যে স্যামসাং জানাচ্ছে গত চার মাসে তারা এস-৫২৩০ ষ্টার বিক্রি করেছে ৫০ লক্ষ। আগামী নভেম্বরের মধ্যেই এই সংখ্যা কোটিতে পৌছুবে বলে তাদের ধারনা। একেবারে অসম্ভব হবে না সেটা, কারন মে মাসে বাজারে ছাড়া সময় বিক্রি হয়েছিল ৭ লক্ষ, পরের মাসে ৯ লক্ষ, তারপরই জুলাই এবং আগষ্টে ১৬ এবং ১৮ লক্ষ। কাদন আগে এলজি তাদের কুকি ৫০ লক্ষ বিক্রির কথা জানিয়েছিল কিন্তু তাদের সময় লেগেছিল কয়েক মাস বেশি।

স্যামসাং এর ষ্টার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ইউরোপে, ২৮ লক্ষ। শীষ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, বৃটেন, নেদারল্যান্ড এবং ইটালী।

এই বিক্রির পেছনে কারন হিসেবে দেখা জচ্ছে অল্প দামে অধিক সুবিধে দেয়াকে। ৩ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে, স্মাইল ডিটেকশন সহ ৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, মিউজিক প্লেয়ার, মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধে সবই রয়েছে এতে। তারপরও ওয়াই-ফাই এবং থ্রিজি বিহীন শুধুমাত্র জিপিআরএস/এজ কানেকটিভিটির এই ফোনের এত বিক্রি অনেককেই বিষ্মিত করেছে।

সনির দুটি নতুন এসএলআর ক্যামেরা Sony Alpha A500 & A550 DSLR

সনি তাদের আলফা সিরিজের দুটি নতুন মডেলের এসএলআর ক্যামেরার ঘোষনা দিয়েছে। এতে Exmor CMOS ইমেজ সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। ১২ এবং ১৪ মেগাপিক্সেল। আইএসও ২০০ থেকে ১২,৮০০। দুটি মডেলেই ৩ ইঞ্চি আর্টিকুলেটেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এ-৫০০ মডেলে রেজ্যুলুশন ২৩০,০০০ ডট, আর এ-৫৫০ মডেলের জন্য ৯২১,৬০০ ডট। দুটি ক্যামেরাই সনি মেমোরী ষ্টিকের পাশাপাশি এসডি/এসডি এইচসি কার্ড ব্যবহার করবে।

এ-৫০০ মডেলে ভিউ ফাইন্ডার ব্যবহার করে সেকেন্ডে ৫টি ছবি উঠানো যাবে, লাইভ ভিউ ব্যবহার করলে ৪টি। এছাড়া অতিরিক্ত বার্ষ্ট মোডে ৭ ফ্রেম/সে ছবি উঠানো যাবে। অন্যদিকে এ-৫৫০ এর ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ১৪ র, ৩২ জেপেগ।

ক্যামেরাদুটিতে দুটি ইমেজ একসাথে এর একটি ছবি তৈরীর ব্যবস্থা রয়েছে (পেনট্যাক্স কে-৭ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে)।

ক্যামেরাদুটি অক্টোবরে বাজারে ছাড়ার কথা। লেন্স বাদে এ-৫০০ এর দাম ৭৫০ ডলার এবং এ-৫৫০ এর দাম ৯৫০ ডলার। এরসাথে ১০০ ডলার যোগ করে ১৮-৫৫ মিমি কিট লেন্স নেয়া যাবে।

August 27, 2009

গেম কনসোলের দাম কমল Microsoft cutting price of high-end Xbox 360

গত সপ্তাহে সনি তাদের প্লেষ্টেশন-৩ এর দাম কমানোর ঘোষনা দেয়ার পর এবার মাইক্রোসফট তাদের গেম কনসোল এক্স-বক্স এর দাম কমানোর ঘোষনা দিল। এক্স-বক্স ৩৬০ এলিট এবং প্লেষ্টেশন-৩ উভয়ের দামই এখন সমান, ২৯৯ ডলার করে।

মাইক্রোসফট তিন ধরনের এক্সবক্স বিক্রি করে। অন্য দুই ধরনের এক্সবক্সের মধ্যে প্রো নামের মাঝারী কনসোলের দাম হবে আগের ২৯৯ ডলার থেকে কমে ২৪৯ ডলার এবং কমদামী এক্সবক্স আরকেড এর দাম হবে ১৯৯ ডলার। এই দাম আন্তর্জাতিক বাজারের হলেও এলাকা হিসেবে কমবেশি হতে পারে।

বিশ্বব্যাপি মন্দা এবং নতুন উল্লেখযোগ্য গেম বাজারে না আসায় এদের ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে। দাম কমিয়ে সেটাকেই পুরন করার চেষ্টা চলছে।

দুটি প্রধান গেম কনসোল নির্মাতার দাম কমানোর ঘোষনার পর একমাত্র নিনটেনডোর দাম কমানোর ঘোষনা দেয়া বাকি থাকল। তাদের গেমকিউব তিন বছর আগে বাজারে আসার সময় যে ২৫০ ডলার ছিল এখন ও সেই দামই রয়েছে।

উল্লেখ করা যেতে পারে ৫ কোটি ২৬ লক্ষ কনসোল বিক্রি করে বিক্রেতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নিনটেনডো। মাইক্রোসফট এক্সবক্স বিক্রি হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লক্ষ এবং সনির প্লে ষ্টেশন বিক্রি হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লক্ষ।

অবৈধ মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ব্যবহার করা যাবে না Office 2010 to expand antipiracy features

মাইক্রোসফট তাদের অফিসের নতুন ভার্শন ২০১০-এ Software Protection Platform (SPP) যোগ করতে যাচ্ছে। এর ফলে অবৈধভাবে কপি করা সফটওয়্যার ঠিকভাবে কাজ করবে না। এছাড়া ভাইরাস, মালওয়্যার ইত্যাদির ঝুকির সম্মুখিন হবে। মাইক্রোসফট এক ঘোষনার মাধ্যমে একথা জানিয়েছে।

সাধারনভাবে ধারনা করা হয় পাইরেসির কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হয় সফটওয়্যার নির্মাতা এবং বিক্রেতা/সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। আর এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগি মাইক্রোসফট নিজে। তাদের নতুন ভার্শনের অফিসে এমন কিছু টেকনিক্যাল ফিচার থাকবে যা পাইরেসি করা যাবে না। অর্থাৎ পাইরেটেড সফটওয়্যার ইনষ্টল করলে কিছু অংশ কাজ করবে না।

তবে মাইক্রোসফট বেশি জোর দিয়েছে ভুয়া ইনষ্টল করার বিষয়ে যা অনেকেই পাশ কাটিয়ে যেতে পারে। অন্য অনেকে অবৈধ একটিভেশনের দিকে বেশি জোর দেয়। ফলে সেগুলি অবৈধভাবে ব্যবহার করা যায় না।

নোকিয়া লিনাক্স নিয়ে এপলের আইফোনের প্রতিদ্বন্দিতায় নামছে Nokia bets on Linux in iPhone battle (Nokia N900 & N97 mini)

নোকিয়া লিনাক্স সফটওয়্যার নিয়ে বাজারের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল সেট আইফোনের প্রতিদ্বন্দিতায় নামছে। একাধিক প্রতিষ্ঠান তাদের N900 নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন নির্মাতা জার্মানীতে তাদের ওয়ার্ল্ড ইভেন্টে প্রথমবারের মত লিনাক্স ব্যবহার করা অপারেটিং সিষ্টেম মেমো (Maemo) ব্যবহার করে উচু মানের হ্যান্ডসেট আনতে যাচ্ছে। তবে এর ফলে নোকিয়ার অগ্রগতি জানার জন্য অন্তত আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

নোকিয়া ২০০৫ সাল থেকেই লিনাক্স ব্যবহার করছে। ইন্টারনেট ট্যাবলেট নামের এই ফোনের মত ইন্টারনেট ব্যবহারের যন্ত্র খুব বেশি প্রচার পায়নি। তাদের নিজস্ব সেলুলার রেডিও না থাকাকে অনেকে এর কারন হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তাদের অপারেটিং সিষ্টেম সিমবিয়ান মোবাইল বাজারের অর্ধেক নিয়ন্ত্রন করে। এর পরিমান প্রতিদ্বন্দি এপল, রিসার্চ এন্ড মোশান, গুগল এর সম্মিলিত পরিমানের চেয়েও বেশি। তার পরও লিনাক্স অতিরিক্ত সুবিধা এনে দেবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

মেমো সিমবিয়ানের চেয়ে সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং সহজে পরিবর্তন যোগ্য। ফলে বিভিন্ন ধরনের ডিসপ্লে এবং সফটওয়্যারের সাথে খুব সহজে মানানসই করে নেয়া যাবে, এমনটাই জানিয়েছে নোকিয়া।

জানা গেছে তাদের এই সেটের নাম Nokia N900. একই সময়ে তারা N97 mini নামের পরিচিত জনপ্রিয় এন-৯৭ এর ছোট সংস্করনের ঘোষনাও দিতে যাচ্ছে।

আপডেট : নোকিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এন-৯০০ এর ঘোষনা দিয়েছে। এতে শক্তিশালী আরম কর্টেক্স এ-৮ প্রসেসর ব্যবহার করা হবে। ৩.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের রেজ্যুলুশন ৮০০-৪৮০, ফুল কিবোর্ড ছাড়াও টাচস্ক্রীন ভার্চুয়াল কিবোর্ড থাকবে। এতে মজিলার ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করা হবে এবং ফ্লাশ প্লেয়ার ৯.৪ সাপোর্ট থাকবে।
এর ষ্টোরেড ৩২ গিগাবাইট, মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করে তা আরো বাড়ানো যাবে। অন্যান্যর মধ্যে জিপিএস রিসিভার, ওভি ম্যাপ, এফএম ট্রান্সমিটার, ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক, টিভি আউট, ব্লুটুথ, Divx/Xvid কোডেক ইত্যাদি থাকবে।
ক্যামেরার দিকে ৫ মেগাপিক্সেল সেন্সর, কার্ল জিস লেন্স, ১৬:৯ ভিডিও (৮০০ – ৪৮০) ২৫ ফ্রেম/সে রেকর্ডিং ইত্যাদি সুবিধে থাকবে।
অক্টোবর থেকেই সেটটি বাজারে পাওয়া যাবে। দাম ৬০০ ডলারের মত।

August 26, 2009

ক্যামেরার জন্য ভাল কোন মাধ্যম MiniDV vs HDD vs DVD vs Flash Camcorder

একসময় ভিডিও ক্যামেরায় রেকর্ডিং মাধ্যম বলতে টেপ বুঝানো হত বর্তমানে সেই অবস্থা নেই হার্ডডিস্ক, ডিভিডি, মেমোরী কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার হচ্ছে বরং এগুলির কাছে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে টেপ আপনি যদি ক্যামেরা কিনতে যান তাহলে কোনটি বেছে নেবেন কোন মাধ্যমের সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি কিংবা আরো সহজ কথায়, কোন মাধ্যম আপনার জন্য উপযোগি সেটা জানা থাকলে কেনার পর দুঃখ করতে হয় না সেজন্যই এই তথ্য

প্রথমেই আপনার ঠিক করে নেয়া উচিত আপনি হাই-ডেফিনিশন সুবিধে সহ কিনবেন নাকি শুধুই ষ্ট্যান্ডার্ড ডেফিনিশনে কাজ চলবে হাই ডেফিনিশন ভিডিও প্লে করার জন্য হাই ডেফিনিশন টিভি প্রয়োজন এই মুহুর্তে বাংলাদেশে সেটার তেমন প্রচলন নেই কাজেই যদি পারিবারিক ভিডিও করে নিজেরাই দেখতে চান সেজন্য ষ্ট্যান্ডার্ড ডেফিনিশন ক্যামেরাতেই কাজ চলতে পারে

এবারে মিডিয়ার কথায় আসা যাক বর্তমানে সবচেয়ে সহজ ব্যবহারযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে মেমোরী কার্ড এতে কোন সন্দেহ নেই ৩২ গিগাবাইট কার্ডে কয়েক ঘন্টার ভিডিও রেকর্ড করা যাবে, রেকর্ড করার পর তা কম্পিউটারে নিতে পৃথক হার্ডওয়্যার প্রয়োজন নেই একই কার্ড বহুবার ব্যবহার করা যাবে, কাজেই বারবার টেপ বা ডিভিডি কেনার মত খরচের হাত থেকে বাচা যাবে

এর অসুবিধে হচ্ছে, প্রধানত ভিডিওর মান মিনি-ডিভি টেপে যে মানের ভিডিও পাওয়া যায় সে মানের ফ্লাশ মেমোরী ভিত্তিক ক্যামেরা নেই বললেই চলে, অন্তত সাধারন বাজেটের মধ্যে (ভিডিও কোডেক এবং ডাটা ট্রান্সফার রেটের কারনে) কাজেই আপনাকে ধরেই নিতে হবে ফ্লাশ মেমোরী ভিত্তিক ভিডিওর মান টেপের তুলনায় খারাপ

এডিটিং এর জন্য অত্যন্ত দ্রুতগতির কম্পিউটার প্রয়োজন টেপ থেকে ক্যাপচার করা ভিডিও এডিট করতে যে সময় প্রয়োজন হয় তারচেয়ে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হবে মেমোরীভিত্তিক ভিডিও এডিটিং কাজে

ব্যাকআপ রাখা কষ্টকর কার্ডটি যেহেতু আবারও ব্যবহার করা হবে সেহেতু অন্য কোনভাবে ব্যাকআপ রাখতে হয়

টেপের সুবিধে হচ্ছে এর ভিডিও মান অন্যান্য মাধ্যম থেকে ভাল ব্যাকআপ রাখা সহজ সরাসরি ক্যাসেটটিই রেখে দিতে পারেন একটি ক্যাসেট অযত্নে নষ্ট হলেও সেখান থেকে কিছু পরিমান হলেও তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব সিডি-ডিভিডি-হার্ডডিস্ক নষ্ট হলে সেখান থেকে কিছুই পাওয়া সম্ভব না

টেপের অসুবিধে হচ্ছে প্রতিবার আপনাকে ক্যাসেট কিনতে হবে (যদি একই ক্যাসেট একাধিকবার ব্যবহার করা যায়, ভিডিওর মানের ক্ষতি মেনে নিয়ে) আরেক অসুবিধে হচ্ছে ক্যামেরা থেকে কম্পিউটারে নেয়ার জন্য ক্যাপচার কার্ড প্রয়োজন হয়

হার্ড ডিস্ক আরেকটি মাধ্যম বর্তমানে যেহেতু কার্ডের ধারনক্ষমতা বেড়েছে এবং দাম কমেছে সেহেতু হার্ডডিস্ক বিবেচনায় না আনলে ক্ষতি নেই এক কার্ড শেষ হলে অনায়াসে সেটি খুলে আরেকটি কার্ড ব্যবহার করতে পারেন, ভিডিও দেয়া প্রয়োজন হলে ইচ্ছে করলে কার্ডটিই খুলে দিতে পারেন হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে সেটা করার উপায় নেই কাউকে ভিডিও দেয়া প্রয়োজন হলে ক্যামেরাটিই দিতে হয়, এবং যায়গা শেষ হলে আগের ভিডিও মুছে সেটা খালি করতে হয়

ডিভিডি মাধ্যম অনেকের কাছে প্রিয় সহজে ব্যবহারের কারনে সরাসরি ডিভিডিতে রেকর্ড করে তাকেই ডিভিডি প্লেয়ারে প্লে করা যায় রি-রাইটেবল ডিভিডি ব্যবহার করে একই ডিস্কে বারবার রেকর্ড করা যায়

এই মাধ্যমের সমস্যা হচ্ছে ডিভিডির স্থায়িত্ব নিয়েই খুব সহজেই নষ্ট হতে পারে আর ভিডিওর মান নিয়েও কথা থেকে যায়

তথ্যগুলি বিবেচনায় এনে আপনার জন্য কোন মাধ্যমের ক্যামেরা উপযোগি সেটা কেনার আগেই ঠিক করুন

Goosegrade copy-editing যে কোন ব্লগ সংশোধন করা যাবে

উইকিপিডিয়ার বৈশিষ্ট নিশ্চয়ই আপনি জানেন কোন তথ্যের সংশোধনের কাজ আপনি নিজেও করতে পারেন কারন তারা তাদের সাইটটি এভাবেই তৈরী করেছে গুজ-গ্রেড এমন এক এপি-এডিটিং সার্ভিস যা ব্যবহার করে আপনি যে কোন ব্লগের ভুল সংশোধন করার পরামর্শ দিতে পারেন এমনকি সেই সাইটটি যদি এই কাজের জন্য প্লাগ-ইন ব্যবহার না করে তাহলেও

বিষয়টি হচ্ছে, আপনি যদি কোন ব্লগে ভুল তথ্য দেখেন এবং সেটি সংশোধন করতে চান তাহলে সরাসরি সেটা করে দেবেন আপনার সংশোধন গুজগ্রেডের সাইটে জমা থাকে সাইটের মালিক সেগুলি দেখে একে একে সংশোধন করতে পারে, অথবা একাজের জন্য প্লাগ-ইন ইনষ্টল করে নিতে পারেন

এই পদ্ধতির সুবিধে হচ্ছে আগে গুজগ্রেড ব্যবহার করলে ব্যবহারকারী যে পরিবর্তন করত তা অনেকসময় অগোচরে থেকে যেত এই পদ্ধতিতে তিনি জানতে পাবেন কোথায় কি পরিবর্তন করা হয়েছে

গুজগ্রেড এর ওয়েব : http://www.goosegrade.com/

নোকিয়া কমদামি টাচ ফোন Nokia 5230

নোকিয়া তাদের টাচফোন ৫৮০০ দিয়ে বাজারের অনেকটা দখল করে রেখেছে। এরপর যেটুকু বাকি থাকে সেটু ধরার জন্য কম দামের ৫৫৩০ ইতিমধ্যে বিক্রি শুরু হয়েছে। এরপর যদি কারো কিনতে আপত্তি থাকে তাহলে তাদের জন্য আরো কম দামে আরেকটি একই ধরনের ফোন ঝাড়ার ঘোষনা দিয়েছে। ৫২৩০ মডেলের এই ফোন দেখতে অনেকটাই আগের মডেলগুলির মত, দাম ২০০ ডলারের মধ্যে। ৫৮০০ থেকে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হচ্ছে এতে ওয়াই-ফাই থাকবে না।

আগের মডেলগুলির মতই এর স্ক্রীন ৩.২ ইঞ্চি, সাথে এফএম রেডিও এবং ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক, মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট ইত্যাদি থাকবে। এর ক্যামেরার মান কমিয়ে ২ মেগাপিক্সেল করা হয়েছে। তবে ৩০ ফ্রেম/সে ভিডিও করা যাবে।

এতে সিমবিয়ান এস৬০ ৫ম এডিশন ব্যবহার করা হয়েছে। এর ব্যাটারী ৫৮০০ এর মতই (উল্লেখ করা যেতে পারে ৫৫৩০ এর ব্যাটারী কিছুটা বড়)। ৫২৩০ সেটে এক চার্জে ৩৩ ঘন্টা গান শোনা যাবে।

এর সবশেষ সংযোজন হচ্ছে ওভি ম্যাপ এবং স্যোসাল নেটওয়াকিং এর অন্তর্ভুক্তি। সেট থেকেই সরাসরি ফেসবুক, মাইস্পেস, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে।

সেটটির সামনের দিকে রঙ হবে কালো অথবা সাদা, পিছন দিকে লাল, গোলাপী, নীল, হলুদ অথবা রূপালী। এবছরের শেষভাগে সেটটি বিক্রি শুরু হবে।

August 25, 2009

সানিওর নতুন হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা Sanyo Xacti DMC-CG11

সানিও এবছরই আগের দিকে বাজারে ছাড়া Xacti DMC-CG10 ক্যামেরাকে আপগেড করে Xacti DMC-CG11 বাজারে ছাড়ার ঘোষনা দিয়েছে। এই ক্যামেরায় হাই-ডিফিনিশন আউটপুটের ব্যবস্থা থাকবে এবং অয়্যারলেস ফাইল ট্রান্সফারের জন্য আই-ফাই (Eye-Fi) থাকবে। এছাড়া ইংরেজিতে মেনু ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকবে।

ক্যামেরাটি দেখে আগের ক্যামেরা থেকে খুব পৃথক মনে হবে না। এতে ১/২.৩৩ সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে, ৫ এক্স অপটিক্যাল জুম। আগের মডেলের মতই ১০ মেগাপিক্সেল ষ্টিল ছবি উঠানো যাবে। উল্লেখ করা যেতে পারে আগের মডেলের ভিডিও এবং ষ্টিল ক্যামেরার ভাল মানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

এতে সত্যিকারের বড় পরিবর্তন বিল্ট-ইন এইচডিএমআই পোর্ট। এছাড়া আই-ফাই কার্ড সাপোর্টের ব্যবস্থা। কেবল সংযোগ ছাড়াই ক্যামেরা থেকে ফাইল ট্রান্সফার করা যাবে।

সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখ থেকে ক্যামেরাটি জাপানে বিক্রি শুরু হবে। অন্যান্য দেশের জন্য রিলিজের তারিখ জানানো হয়নি।

ক্যামেরাটি সাদা, কমলা এবং সবুজাভ রঙে পাওয়া যাবে।

স্যামসাং এর কমদামী টাচস্ক্রীন ফোন Samsung S3650

বাজারে পাওয়া টাচস্ক্রীন ফোনের মধ্যে সামসাং এর দাম উল্লেখযোগ্য কম। তারা নতুন আরেকটি ফোন বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে কম দামের। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫০ ডলারের এই সেট বিক্রি শুরু হবে। সেটটির সামনের দিক সাধারন কালো রঙের, পিছন দিক হলুদ।

ছোট আকারের এস-৩৬৫০ ফোনে (কোডনেম করবি) ২.৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এতে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, জিএসএম কানেকটিভিটি, এফএম রেডিও, ব্লু-টুথ, মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট ইত্যাদি থাকবে। সেটটি মাত্র ১৩ মিমি পুরুত্বের এবং ওজন ৯২ গ্রাম।

সামসাং নিজে ফোনটির আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দেয়নি। ধারনা করা হচ্ছে ঘোষনার সময় তাদের কাছ থেকে আরো বিস্তারিত জানা যাবে।

August 24, 2009

নোকিয়া ল্যাপটপ Nokia 3G Booklet, Nokia Laptop

নোকিয়া ল্যাপটপ বা নোটবুক তৈরী করবে এটা এতদিন ছিল জল্পনা। এখন ঘোষনা দিয়ে সেটা নিশ্চিত করল তারা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল নির্মাতা কম্পিউটার তৈরী করছে। এর নাম নোকিয়া থ্রিজি বুকলেট। বলা হচ্ছে এটা সত্যিকারের বহনযোগ্য কম্পিউটার।

নোকিয়া থ্রিজি বুকলেট তৈরী হবে এটম প্রসেসর ব্যবহার করে। এটা প্রথম নেটবুক যা থেকে হাই ডেফিনিশন ভিডিও আউটপুটের ব্যবস্থা থাকবে। এর ব্যাটারী এক চার্জে ১২ ঘন্টা কাজ করবে। নাম থেকেই ধরে নেয়া যায় এতে থ্রিজি/এইচএসডিপিএ কানেকটিভিটি থাকবে। সাথে ওয়াই-ফাই। আরেকটি অবাক করা সংযোজন জিপিএস। নোকিয়া ম্যাপ ব্যবহার করা হবে এতে।

নোকিয়া থ্রিজি বুকলেটের স্ক্রীণ হবে ১০ ইঞ্চি, পুরুত্ব মাত্র ২০ মিমি। ওজন ১.২৫ কিলোগ্রাম। এতে সামনের দিকে ভিডিও ক্যামেরা এবং ব্লুটুথ ও থাকবে।

আগামী মাসে এর দাম এবং অন্যান্য তথ্য জানানো হবে।

আইফোনে হাই ডেফিনিশন ভিডিও iPhone 3GS plays 1080p video

নতুন হাই স্পিড আইফোনে ১০৮০পি ভিডিও প্লে করা যায়। এর সফটওয়্যার এখনও তৈরী হয়নি, কিন্তু হার্ডওয়্যার সেকাজ করতে সক্ষম। শুধুমাত্র সফটওয়্যার আপডেটের অপেক্ষা, তারপরই এটা পরিনত হবে সবচেয়ে জনপ্রিয় সবচেয়ে ছোট আকারের এইচডি প্লেয়ার। চিনের একটি ওয়েব সাইটে এই তথ্য দেয়া হয়েছে। তারা পরীক্ষা করে দেখেছে আইফোন ৩০ মেবি/সে রেটে ১০৮০পি ভিডিও প্লে করতে সক্ষম। সেতুলনায় ৭২০পি ভিডিও ঠিকমত প্লে করা যায় না। অডিও ডিকোডারেও সমস্যা রয়েছে। এপলের পক্ষ থেকে একথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, কাজেই ধারনা করা যায় এখনও যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেটা ঠিক করা হবে।

এপল টিভি আউটপুটের জন্য কম্পোজিট এবং কম্পোনেন্ট কেবল দেও এখনও আইফোনের সাথে এইচডিএমআই কেবল দেয় না। ধারনা করা যায় অল্পদিনের মধ্যেই সেটা দেয়া শুরু হবে। এছাড়া কম্পোনেন্ট ভিডিও নিজেই ১০৮০আই/৬০ হার্টজ ভিডিও প্লে করতে সক্ষম।

একথা ঠিক যে কনভার্শনের ফলে ভিডিওর মান কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তবে ১০৮০পি ভিডিও তুলনামুলক কম ব্যবহার হয় (৭২০পি এবং ১০৮০আই এর তুলনায়)। বিষয়টি এপল কিভাবে ঠিক করে এবং কতদিনে আইফোনকে পুরোপুরি হাই ডেফিনিশন ভিডিও প্লেয়ার হিসেবে পাওয়া যায় সেটাই দেখার।

August 23, 2009

অনলাইনে জীবন বিষয়ে এনসাইক্লোপিডিয়া Encyclopedia of life online

বিশ্বের ১৮ লক্ষ জানা প্রাণীর তথ্য জানানোর জন্য অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া http://www.eol.org চালু করা হয় ২০০৭ সালে। ১০ বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছিল। বর্তমানে এখানে তালিকাভুক্ত রয়েছে ১ লক্ষ ৭০ হাজার প্রানীর পরিচয় যা এক বছর আগে ছিল মাত্র ৩০ হাজার। ইওএল এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জেমস এডওয়ার্ডস জানিয়েছেন তারা গতিপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বর্তমানে এই সাইট সম্পর্কে নতুন যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা হচ্ছে বিজ্ঞানীরা এখান থেকে প্রানীদের বয়স সম্পর্কে গবেষনার তথ্য পাচ্ছেন। এমনকি বিভিন্ন প্রানীর আয়ু পর্যালোচনা করে মানুষের বয়স্ক হওয়ার তথ্য বের করছেন। যেমন ফল খাওয়া কিছু প্রজাপতি অন্যদের চেয়ে বেশিদিন বাচে। আবার কোন প্রাণী কোন অঞ্চলে বিলুপ্তির সম্মুখিন এমন তথ্যও যাচাই করার যাচ্ছে এখান থেকে। বিজ্ঞানীদের কাজে এই সাইট ব্যবহারে জেমস সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এতে ফসিল বিষয়ক তথ্য অন্তর্ভূক্ত করার কাজ চলছে। এই কাজের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ২৫ লক্ষ ডলার দান করেছে। সমস্যা হচ্ছে বিশ্বে প্রতি বছর ২০ হাজার নতুন প্রজাতির পরিচয় জানা যায় এবং বর্তমানে জানা প্রজাতি রয়েছে ১০ কোটির বেশি।

আপনিও এই সাইট ঘুরে দেখতে পারেন।

নোকিয়া মোবাইল Nokia 5800 Navigation Edition

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোনগুলির অন্যতম নোকিয়া ৫৮০০ এক্সপ্রেস মিউজিক এর নেভিগেশন এডিসন বাজারে ছাড়া হচ্ছে। মুলত জিপিএস ব্যবস্থাকে মুল লক্ষ্য রেখে এটা তৈরী। এর আগের সবকিছুই অপরিবর্তিত থাকবে। সাথে অতিরিক্ত হিসেবে একটি সুন্দর ষ্ট্যান্ড এবং কার চার্জার দেয়া হবে। ফলে গাড়িতে ব্যবহার অনেক সহজ হবে।

রঙের দিক থেকেও আগের ফোন থেকে কিছু পার্থক্য থাকবে। এতে রূপালী এবং কালো রঙ ব্যবহার করা হবে।

ফোনটি তিন ধরনের কানেকটিভিটি সহ বিক্রি হবে। দুটিতে ওয়াই-ফাই এবং ডুয়াল ব্যান্ড থ্রিজি এবং এইচএসডিপিএ থাকবে, তৃতীয়টিতে শুধুমাত্র জিএসএম থাকবে। ধারনা করা হচ্ছে শেষের ফোনটি তৈরী করা হয়েছে চীন সহ অন্যান্য দেশে কমদামে বিক্রির জন্য।

August 21, 2009

ক্যাননের নতুন ৬টি ক্যামেরা Canon SX20, SX120, G11, S90, SD980, SD940

ক্যানন ৬টি নতুন মডেলের ক্যামেরা বাজারে ছেড়েছে। এদের মধ্যে ৩টি তাদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্যামেরার আপগ্রেড। যেখানে রয়েছে সুপার জুম এসএক্স-১০ এর বদলে এসএক্স-২০, পকেট সুপারজুম এসএক্স-১১০ এর বদলি এসএক্স-১২০ এবং জি-১০ এর বদলি জি-১১। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সম্ভবত সেরা ক্যামেরা জি-১০ থেকে জি-১১। এতে ১৪.৭ মেগাপিক্সেল থেকে সেন্সরকে ১০ মেগাপিক্সেলে আনা হয়েছে। অনেকের মতে এটাই বাস্তবসম্মত।এতে অল্প আলোতে ভাল ছবি পাওয়া যাবে। এর দাম ঠিক করা হয়েছে ৫০০ ডলার।

সুপারজুম ক্যামেরা এসক্স-১০ এর ১০ মেগাপিক্সেল সেন্সর আপডেট করে ১২ মেগাপিক্সেল করা হয়েছে।এছাড়া এতে হাই-ডেফিনিশন ভিডিও রেকর্ড করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইএসও সেনসিটিভিটি বাড়ানো হয়েছে।এর দাম আগের মতই ৪০০ ডলার।

পকেট সুপারজুম ক্যামেরা এসএক্স ১১০ এর সেন্সর ৯ মেগাপিক্সেল থেকে বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছে। ১০ এক্স জুমের নতুন এসএক্স-১২০ এর দাম ২৫০ ডলার।

নতুন এস-৯০ মডেলের সাথে জি-১০ এর যথেষ্টই মিল পাওয়া যাবে। এতে ১০ মেগাপিক্সেল সেন্সর, ৩.৮ এক্স অপটিক্যাল জুম (২৮-১০৫ মিমি), টিল্ট/স্যুইভাল ৩ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এর দাম ৪৩০ ডলার।

এসডি ৯৮০ ক্যাননের প্রথম টাচস্ক্রিণ ডিসপ্লের ক্যামেরা। এর সেন্সর ১২ মেগাপিক্সেল। ম্যাক্রো মোডে ৫ সেমি দুরত্বে ফোকাস করা সম্ভব এতে। ৫ এক্স অপটিক্যাল জুম, ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন, হাই ডেফিনিশন ভিডিও ইত্যাদি সুবিধা সহ এই ক্যামেরার দাম ৩৩০ ডলার।

এসডি ৯৪০কে বলা যেতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালি ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা। এতে মাত্র ৩ সেমি দুরত্বে ফোকাস করা যায়। ৪ এক্স জুম (২৮-১১২ মিমি), হাই ডেফিনিশন ভিডিও রেকর্ডিং, এসডি কার্ড সাপোর্ট ইত্যাদি সহ এই ক্যামেরার দাম ৩০০ ডলার।

ক্যাননের নতুন ৬টি ক্যামেরা Canon SX20, SX120, G11, S90, SD980, SD940

ক্যানন ৬টি নতুন মডেলের ক্যামেরা বাজারে ছেড়েছে। এদের মধ্যে ৩টি তাদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্যামেরার আপগ্রেড। যেখানে রয়েছে সুপার জুম এসএক্স-১০ এর বদলে এসএক্স-২০, পকেট সুপারজুম এসএক্স-১১০ এর বদলি এসএক্স-১২০ এবং জি-১০ এর বদলি জি-১১। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সম্ভবত বিষ্টে সেরার ক্যামেরা জি-১০ থেকে জি-১১। এতে ১৪.৭ মেগাপিক্সেল থেকে সেন্সরকে ১০ মেগাপিক্সেলে আনা হয়েছে। অনেকের মতে এটাই বাস্তবসম্মত।এতে অল্প আলোতে ভাল ছবি পাওয়া যাবে। এর দাম ঠিক করা হয়েছে ৫০০ ডলার।

সুপারজুম ক্যামেরা এসক্স-১০ এর ১০ মেগাপিক্সেল সেন্সর আপডেট করে ১২ মেগাপিক্সেল করা হয়েছে।এছাড়া এতে হাই-ডেফিনিশন ভিডিও রেকর্ড করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইএসও সেনসিটিভিটি বাড়ানো হয়েছে।এর দাম আগের মতই ৪০০ ডলার।

পকেট সুপারজুম ক্যামেরা এসএক্স ১১০ এর সেন্সর ৯ মেগাপিক্সেল থেকে বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছে। এসডি কার্ডের ধারনক্ষমতা ৩২ গিগাবাইট থেকে ১২৮ গিগাবাইট করা হয়েছে। ১০ এক্স জুমের নতুন এসএক্স-১২০ এর দাম ২৫০ ডলার।

নতুন এস-৯০ মডেলের সাথে জি-১০ এর যথেষ্টই মিল পাওয়া যাবে। এতে ১০ মেগাপিক্সেল সেন্সর, ৩.৮ এক্স অপটিক্যাল জুম (২৮-১০৫ মিমি), টিল্ট/স্যুইভাল ৩ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এর দাম ৪৩০ ডলার।

এসডি ৯৮০ ক্যাননের প্রথম টাচস্ক্রিণ ডিসপ্লের ক্যামেরা। এর সেন্সর ১২ মেগাপিক্সেল। ম্যাক্রো মোডে ৫ সেমি দুরত্বে ফোকাস করা সম্ভব এতে। ৫ এক্স অপটিক্যাল জুম, ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন, হাই ডেফিনিশন ভিডিও ইত্যাদি সুবিধা সহ এই ক্যামেরার দাম ৩৩০ ডলার।

এসডি ৯৪০কে বলা যেতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালি ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা। এতে মাত্র ৩ সেমি দুরত্বে ফোকাস করা যায়। ৪ এক্স জুম (২৮-১১২ মিমি), হাই ডেফিনিশন ভিডিও রেকর্ডিং, এসডি কার্ড সাপোর্ট ইত্যাদি সহ এই ক্যামেরার দাম ৩০০ ডলার।

August 19, 2009

ক্যাসিওর দুটি নতুন ক্যামেরা New Casio EXILIM Z90 and Z450

ক্যাসিও দুটি নতুন ক্যামেরা বাজারে ছেড়েছে। ১২.১ মেগাপিক্সেল সেন্সরের এই আলট্রা কমপ্যাক্ট ক্যামেরাগুলি অনায়াসে পকেটে বহনযোগ্য। দুইয়ের মধ্যে সেন্সরের সামান্য পার্থক্য রয়েছে, জেড-৯০ এর জন্য ১২.৭০ মেগাপিক্সেল এবং জেড-৪৫০ এর জন্য ১২.৩৯ মেগাপিক্সেল। দুটি ক্যামেরাতেই এক্সিলিম লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। জেড-৪৫০ মডেলে ২৮ মিমি ওয়াইড এঙ্গেল এবং ৪-এক্স অপটিক্যাল জুম। এতে সেন্সর সিফট ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন ব্যবহার করা হয়েছে। জেড ৯০ মডেলে ৩ এক্স জুম এবং ৩৫ মিমি ওয়াইড এঙ্গেল। এতে মেকানিক্যাল ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন নেই।

দুটি ক্যামেরার আরো কিছু মিল এবং অমিল রয়েছে। দুটি মডেলেই অটোফোকাসের জন্য মাল্টি/স্পট অটোফোকাস এবং ফেস ডিটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে তবে শুধুমাত্র জেড-৪৫০ মডেলে এসিষ্ট ল্যাম্প রয়েছে। ৪৫০ মডেলের ফ্লাশ ও ৯০ মডেল থেকে শক্তিশালি।

দুটি ক্যামেরাতেই ৩৭ মেগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরী এবং এসডি/এসডিএইচসি কার্ড সাপোর্ট রয়েছে। নিজস্ব লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারী ব্যবহার করে। ৪৫০ মডেল এক চার্জে ৫৫০ টি ছবি উঠাতে সক্ষম, অন্যদিকে ৯০ মডেল ছবি উঠাতে পারে ২৩০টি।

৪৫০ মডেল ক্যামেরার দাম ২০০ ডলার। অন্যদিকে ৯০ মডেলের দাম ১৫০ ডলার।

বিনামুল্যে ওয়াই-ম্যাক্স Free WiMax service in Banladesh

বাংলাদেশে অয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ওয়াইম্যাক্স এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানী বাংলালায়ন কমিউনিকেশন লিঃ জানিয়েছে তারা ঢাকার কিছু এলাকায় বিনামুল্যে ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করবেআগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এটা করা হবে বলে জানানো হয়েছেএলাকাগুলি হচ্ছে মতিঝিল, ধানমন্ডি, এলিফ্যান্ট রোড, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নাখালপাড়া, উত্তরা, গুলশান ইত্যাদি১৫ দিন পরীক্ষামুলক ব্যবহারের জন্য এই সুযোগ দেয়া হবেপরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে এইসব এলাকায় অন্তত ১০ হাজার জনকে সংযোগের আওতায় আনা হবে

তাদের ওয়াইম্যাক্স সেবার অগ্রগতি সম্পর্কে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা জানানো হয়েছে

August 18, 2009

ফটোশপের নতুন প্লাগ-ইন AKVIS Sketch 9.0 Creates Pencil Drawings Photos

ফটোশপ ব্যবহারকারীদের কাছে AKVIS একটি পরিচিত নাম প্লাগ-ইন তৈরীর জন্য। তারা তাদের স্কেচ সফটওয়্যারের নতুন ভার্শন ৯.০ বাজারে ছেড়েছে। এটা ব্যবহার করে ফটোগ্রাফ থেকে পেনসিল স্কেচ কিংবা জলরঙে আকা ছবিতে রূপান্তর করা যাবে। বর্তমান ভার্শনে নতুন এলগোরিদম ব্যবহারের ফলে সত্যিকারের পেনসিল এর চেহারা দেখা যাবে। এর কাজ হয় রিয়েল টাইম, অর্থাৎ আপনি কমান্ড দিয়ে দেখবেন কতটা পরিবর্তন হচ্ছে। যেখানে আপনার পছন্দ হবে সেখানে ESC কি চেপে থামিয়ে দেবেন। সরাসরি ব্যবহারের জন্য ৭-টি প্রিসেট দেয়া রয়েছে।

উইন্ডোজের বিভিন্ন ভার্শনের জন্য ছাড়াও ম্যাকের জন্য যেমন এই সফটওয়্যার পাওয়া যাবে তেমনি প্লাগ-ইন হিসেবেও পাওয়া যাবে।

১০ দিনের জন্য ব্যবহার উপযোগি ভার্শন বিনামুল্যে ডাউনলোড করা যাবে তাদের ওয়েবসাইট থেকে। ঠিকানা ; http://akvis.com/en/sketch/index.php

তাদের ওয়েবসাইটে অনেকগুলি উদাহরন দেয়া রয়েছে। সেগুলি দেখে নিতে পারেন। ঠিকানা ; http://akvis.com/en/sketch-tutorial/cartoon-film.php

বর্ষসেরা পুরস্কার পেল আইফোন iPhone 3GS awarded the Euro smartphone

এপলের আইফোন ২০০৯-২০১০ বছরের সেরা স্মার্টফোন হিসেবে ইউরো পুরস্কার পেয়েছে। এই পুরস্কার দেয় ইউরোপিয়ান ইমেজিং এন্ড সাউন্ড এসোসিয়েশন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৫০টির অধিক প্রযুক্তি বিষয়ক পত্রিকা এই পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচিত করে।

প্রতিযোগিতায় সেরা ক্যামেরা ফোনের পুরস্কার পেয়েছে স্যামসাং তাদের i8910 Omnia HD সেটের জন্য। সেরা মিউজিক ফোনের পুরস্কার পেয়েছে সনি এরিকসন তাদের Sony Ericsson W995 সেটের জন্য , সেরা বিজনেস ফোনের পুরস্কার পেয়েছে নোকিয়া তাদের E75 সেটের জন্য।

সংস্থাটির কাছে পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। সেকারনেই বিশেষ ইউরোপিয়ার গ্রীণ এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে এলজিকে তাদের LG KM900 Arena সেটটির জন্য।

এই পুরস্কার বিজয়ীদের সাথে সকলে একমত হবেন এমন কথা হয়ত নেই। তবে এরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে উল্লেখ করার মত উন্নতি করেছে সেটা অস্বিকার করার উপায়ও নেই।

বর্ষসেরা পুরস্কার পেল আইফোন iPhone 3GS awarded the Euro smartphone

এপলের আইফোন ২০০৯-২০১০ বছরের সেরা স্মার্টফোন হিসেবে ইউরো পুরস্কার পেয়েছে। এই পুরস্কার দেয় ইউরোপিয়ান ইমেজিং এন্ড সাউন্ড এসোসিয়েশন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৫০টির অধিক প্রযুক্তি বিষয়ক পত্রিকা এই পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচিত করে।

প্রতিযোগিতায় সেরা ক্যামেরা ফোনের পুরস্কার পেয়েছে স্যামসাং তাদের i8910 Omnia HD সেটের জন্য। সেরা মিউজিক ফোনের পুরস্কার পেয়েছে সনি এরিকসন তাদের Sony Ericsson W995 সেটের জন্য , সেরা বিজনেস ফোনের পুরস্কার পেয়েছে নোকিয়া তাদের E75 সেটের জন্য।

সংস্থাটির কাছে পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। সেকারনেই বিশেষ ইউরোপিয়ার গ্রীণ এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে এলজিকে তাদের LG KM900 Arena সেটটির জন্য।

এই পুরস্কার বিজয়ীদের সাথে সকলে একমত হবেন এমন কথা হয়ত নেই। তবে এরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে উল্লেখ করার মত উন্নতি করেছে সেটা অস্বিকার করার উপায়ও নেই।

বর্ষসেরা পুরস্কার পেল আইফোন iPhone 3GS awarded the Euro smartphone

এপলের আইফোন ২০০৯-২০১০ বছরের সেরা স্মার্টফোন হিসেবে ইউরো পুরস্কার পেয়েছে। এই পুরস্কার দেয় ইউরোপিয়ান ইমেজিং এন্ড সাউন্ড এসোসিয়েশন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৫০টির অধিক প্রযুক্তি বিষয়ক পত্রিকা এই পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচিত করে।

প্রতিযোগিতায় সেরা ক্যামেরা ফোনের পুরস্কার পেয়েছে স্যামসাং তাদের i8910 Omnia HD সেটের জন্য। সেরা মিউজিক ফোনের পুরস্কার পেয়েছে সনি এরিকসন তাদের Sony Ericsson W995 সেটের জন্য , সেরা বিজনেস ফোনের পুরস্কার পেয়েছে নোকিয়া তাদের E75 সেটের জন্য।

সংস্থাটির কাছে পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। সেকারনেই বিশেষ ইউরোপিয়ার গ্রীণ এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে এলজিকে তাদের LG KM900 Arena সেটটির জন্য।

এই পুরস্কার বিজয়ীদের সাথে সকলে একমত হবেন এমন কথা হয়ত নেই। তবে এরা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে উল্লেখ করার মত উন্নতি করেছে সেটা অস্বিকার করার উপায়ও নেই।

August 17, 2009

তোসিবার ২৯৯ ডলারের ল্যাপটপ 299 dollar Toshiba laptop

ল্যাপটপের বিক্রি ডেস্কটপকে ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই। এই অগ্রযাত্রা আরো গতিপ্রাপ্ত হয়েছে যখন কমদামে ল্যাপটপ, নোটবুক এবং নেটবুক বাজারে আসতে শুরু করেছে। এখন অনায়াসে ৩০০ ডলারের নিচে বা তার কাছাকাছি ল্যাপটপ কেনা যায়। এতে যোগ হয়েছে তোসিবার ১৫ ইঞ্চি মনিটরের নতুন একটি ল্যাপটপ। এর মডেল L305-S5955

এতে রয়েছে ২,২ গিগাহার্টজ ইন্টেল সেলেরন ৯০০ প্রসেসর, ২ গিগাবাইট মেমোরী, ১৫.৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১৬০ গিগাবাইট সাটা হার্ড ড্রাইভ, ডিভিডি/সিডি রাইটার, ইন্টেল গ্রাফিক্স, ওয়াই-ফাই, ১০/১০০ ল্যান ইত্যাদি। উল্লেখ করা যেতে পারে ইন্টেল সেলেরন ৯০০ প্রসেসরে ১ মেগাবাইট ক্যাশ মেমোরী থাকে। এর বাস স্পিড ৮০০ মেগাহার্টজ।

তোসিবা ছাড়াও মোটামুটি একইরকম দামে ল্যাপট বিক্রি করছে এসার, এইচপি এরাও। এগুলির দাম ২৯৮ ডলার থেকে ৩২৯ ডলারের মধ্যে।

August 16, 2009

লেইকার ৩৭ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা Leica S2 Camera with 37.5 Megapixel

লেইকার হয়ত ক্যানন কিংবা নাইকনের মত ততটা পরিচিতি নেই, কিন্তু আগামী অক্টোবরে তারা চমকে দিচ্ছে ডিজিটাল ক্যামেরার জগতকে। তাদের Leica S2 ক্যামেরায় ব্যবহার করা হচ্ছে ৩৭.৫ মেগাপিক্সেল সেন্সর। ৩৫ মিমি সেন্সরকে বলা হয় ফুল ফ্রেম, যা থেকে ফিল্মের মানের ছবি পাওয়ার কথা। লেইকার সেন্সর তার থেকেও ৫৬% বড়। সাধারন মাপের ক্যামেরায় এতবড় সেন্সর এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। ওয়েদারপ্রুফ এই ক্যামেরা ঝড়বৃষ্টির মধ্যে ব্যবহার করলেও ক্যামেরার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা নেই।

বলা হচ্ছে ক্যামেরার ডিজাইনাররা বর্তমানের এসএলআর এবং পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরাগুলি পর্যালোচনা করে এই ক্যামেরাকে সবচেয়ে সহজে ব্যবহারযোগ্য করেছেন। হাতে ধরার সময় একে ৩৫ মিমি ফিল্ম ক্যামেরা ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ পাওয়া যাবে।

এতে ডুয়াল সাটার সিষ্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এর পারফরমেন্সের সাথে মানানসই অনেকগুলি নতুন লেন্সও তৈরী করা হয়েছে।

উল্লেখ করা যেতে পারে ১৯২৫ সালে জার্মানীর এই কোম্পানী ৩৫ মিলিমিটার ফিল্ম ক্যামেরার ধারনাই পাল্টে দিয়েছিল তাদের ক্যামেরা দিয়ে। বর্তমানের এই ক্যামেরাকে কেউ কেউ সেই সময়ের সাথে তুলনা করছেন।

প্রশ্ন করতে পারেন এই ক্যামেরা কি কাজে ব্যবহার করা হয়। নিচের ফ্যাসন পত্রিকার ছবিটি এই ক্যামেরায় উঠানো।

জানা যাচ্ছে সেটার দাম হবে লেন্স বাদে ২৩ হাজার ডলার।

বিশেষ ধরনের ক্যামেরা Phantom Miro eX

যদি বলা হয় একটি ক্যামেরার রেজুল্যশন ৬৪০-৪৮০ পিক্সেল তাহলে নিশ্চয়ই সেকথা শোনা প্রয়োজন মনে করবেন না। যদি বলা হয় সেই ক্যামেরার দাম ১০ হাজার ডলার তাহলে ? নিশ্চয়ই চমকাবেন। ফ্যান্টম মাইরো (Phantom Miro) সেই ক্যামেরা। সাধারন এসএলআরের মত দেখতে, হাতে ধরে ষ্টিল ছবি উঠানো এবং ভিডিও করা যাবে। ভিশন রিসার্চ কোম্পানী এই ক্যামেরার ঘোষনা দিয়েছে।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক এর বিশেষত্ব কি। এই ক্যামেরায় ফুল রেজুল্যুশনে ৫০০ ফ্রেম/সে ভিডিও করা যাবে, রেজুল্যুশন কম ব্যবহার করলে ১২০০ ফ্রেম/সে। যার অর্থ দ্রুতগতির কোন কিছুর ছবি উঠালে সেখানে কিছুই বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না। স্বাভাবিক ভাবেই সাধারন মানুষের এটা প্রয়োজন হয় না, তবে যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে এটা অমুল্য সম্পদ।

এই ক্যামেরায় ভিডিও করে এডিট করার জন্য কম্পিউটার প্রয়োজন হবে না। বড় আকারের ডিসপ্লে ব্যবহার করে ক্যামেরাতেই হাই-স্পিড ভিডিও এডিট করে নেয়া যাবে। ক্যামেরার আকারও ছোট করে হাতে ধরার উপযোগি করা হয়েছে।

দ্রুতগতির কিছু ছবি উঠানোর সময় সঠিক মুহুর্তে ক্যামেরা চালু করাই মুলকথা। যেমন ধরুন রাইফেল থেকে গুলি বের হওয়ার ছবি উঠাবেন। আপনাকে হয় আগে থেকে ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, নয়ত সেটা মিস করার সমুহ সম্ভাবনা। ফ্যান্টমে ব্যবহার করা হয়েছে অটো-ট্রিগার। কোন বস্তু গতিপ্রাপ্ত হওয়ার সাথেসাথে ক্যামেরা চালু হয়।

এধরনের ক্যামেরার ব্যবহার রয়েছে অনেক আগে থেকেই। এর বৈশিষ্ট হচ্ছে এই প্রথম একে বহনযোগ্য আকারে আনা হল। নিজস্ব ব্যাটারী, ইন্টারনাল মেমোরী (১, ২ অথবা ৪ গিগাবাইট) এবং সিএফ কার্ড সাপোর্ট ইত্যাদি একে সাধারনের ব্যবহার উপযোগি করেছে।

ভাল ফটোগ্রাফির জন্য ক্যামেরা Camera for good photography

ভাল ছবির জন্য ভাল ক্যামেরা প্রয়োজন, একেবারে সাদামাটা সত্য সাথে আরো সত্য এই যে ক্যামেরা যত ভাল দাম তত বেশি তেল কম অথচ মচমচে, ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে একথা খাটে না কাজেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় পকেটের সামর্থ্য বিবেচনা করে দাম সম্পর্কে একটু ধারনা পাওয়া যেতে পারে এখান থেকে, নাইকন ডি৩এক্স ক্যামেরার দাম ৮০০০ ডলার অনেকের মতে সাধারন ক্যামেরা এরচেয়ে ভাল হয় না (অসাধারন ক্যামেরা বলে একটি বিষয় থেকে যায়, তার দাম এরও কয়েকগুন বেশি) আর একেবারে কমদামী ক্যামেরার দাম ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার

এখানে এসএলআর ক্যামেরার কথা বলা হচ্ছে নিজেকে যদি ফটোগ্রাফার হিসেবে পরিচয় দিতে আগ্রহী হন তাহলে এটা প্রয়োজন যত কমদামীই হোক, এসএলআর হতে হবে

এসএলআরের প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে এতে ইচ্ছেমত লেন্স পাল্টানো যায় যার অর্থ এক লেন্স ব্যবহার করবেন না একাধিক লেন্স ব্যবহার করবেন সেটা আপনার ইচ্ছে এবং প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে লেন্সের মাপের ওপর নির্ভর করে আপনি কত কাছের বা দুরের ছবি উঠাতে পারবেন লেন্সের মাপ কি সেটা দেখে নেয়া যাক

এটা প্রকাশ করা হয় মিলিমিটারে, এবং তুলনা করা হয় ৩৫ মিলিমিটার ফিল্ম ক্যামেরার সাথে অধিকাংশ লেন্সে কাছে এবং দুরে ফোকাস করার ব্যবস্থা থাকে যদি লেন্সের গায়ে লেখা থাকে ১৮-৫৫ মিমি, তার অর্থ আপনি সবচেয়ে কাছে ১৮ মিলিমিটার এবং সবচেয়ে দুরে ৫৫ মিলিমিটার লেন্সের ফল পাবেন ১৮ মিলিমিটারে আপনি অনেক বেশি যায়গা ফ্রেমের মধ্যে পাবেন, ৫৫ মিলিমিটারে যায়গা কমে যাবে এবং তা বড় আকারে ধরা পরবে ক্যামেরার ভাষায় একে বলে এঙ্গেল পরিবর্তন কম মিলিমিটারের লেন্স ব্যবহার করলে বড় (ওয়াইড) এঙ্গেল পাওয়া যাবে, বেশি মিমি ব্যবহার করলে (টেলি) ছোট এঙ্গেল পাওয়া যাবে ওয়াইড এঙ্গেলের সুবিধা হচ্ছে এতে বেশি যায়গা স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়, যেমন ফসলের মাঠ, বাগান, আকাশ ইত্যাদি আর টেলির সুবিধা হচ্ছে দুরের ছবি উঠানো যায় যেমন গাছে বসে থাকা পাখি সাধারনত ১৮ মিলিমিটারকে ওয়াইড এঙ্গেলে জন্য ষ্টান্ডার্ড ধরে নেয়া হয় বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এরচেয়ে কম মিমি লেন্স প্রয়োজন হয় না ষ্টান্ডার্ড টেলির জন্য ৫৫ বেশি ব্যবহৃত হয় এরচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে পৃথক লেন্সে কথা ভাবতে হয় সেকথা বলার জন্যই এই ভুমিকা প্রয়োজন হল

আপনি ১৮-৫৫ লেন্সের সাথে ৭০-২০০ মিমি লেন্স কিনলে আপনার দুলেন্স মিলে হচ্ছে ১৮-০০ মিমি মাঝখানের যায়গাটুকু নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে অর্থাৎ আপনার প্রয়োজন হচ্ছে দুটি লেন্স আবার দুই লেন্সের বদলে একটি ১৮-২০০ মিমি লেন্সও কিনতে পারেন স্বাভাবিকভাবেই এতে খরচ কমবে এ হিসেব করে নিতে হবে কেনার আগেই

সাধারনত দামী ক্যামেরা বিক্রি হয় লেন্স ছাড়া, কমদামী ক্যামেরা বিক্রি হয় ১৮-৫৫ লেন্স সহ মধ্যম সারির ক্যামেরার মধ্যে নাইকনের ডি-৮০ বিক্রি হয় ১৮-১৩৫ মিমি লেন্স সহ, ডি-৯০ বিক্রি হয় ১৮-১০৫ মিমি লেন্স সহ, ক্যানন ৪০ডি/৫০ডি বিক্রি হয় ১৭-৮৫ মিমি লেন্স সহ এছাড়া অনেক কোম্পানী শুধু লেন্সই তৈরী করে বিভিন্ন ক্যামেরার জন্য যেমন ট্যামরন এর তৈরী লেন্স ক্যানন, নাইকন, প্যানাসনিক ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যায় (অবশ্যই কেনার সময় দেখে নিতে হবে সেটা কোন ক্যামেরার জন্য) এগুলির দাম তুলনামুলক কম কিন্তু কোন কোন লেন্স ক্যামেরা কোম্পানীর লেন্সের চেয়েও ভাল কাজ করে

মুল বক্তব্য হচ্ছে, কোন লেন্সে আপনার কাজ চলবে সেটা আগে জেনে নিন, তারপর কিনুন লেন্স দুটি, না দুইয়ের বদলে একটি

৩০০ মিমি লেন্স কেনার পরও হয়ত দেখলেন সেটা দিয়ে আপনার প্রয়োজন মিটছে না আপনি যত দুরের ছবি উঠাতে চান সেটা এই লেন্সের সাধ্যের বাইরে সেক্ষেত্রে জুম কনভার্টার নামে আরেক ধরনের লেন্স ব্যবহার করতে পারেন একে ক্যামেরা এবং লেন্সের মাঝখানে লাগাতে হয় ২এক্স কনভার্টার ব্যবহার করলে লেন্সের দুরত্ব দিগুন হবে

আপনি হয়ত একটা মৌমাছির মাথার ছবি উঠাতে চান (ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি), যা আপনার লেন্স ধারন করতে পারে না এজন্য এক্সটেনশন টিউব নামে একধরনের টিউব পাওয়া যায় এর কাজ ক্যামেরা এবং লেন্সের দুরত্ব বাড়িয়ে দেয়া এটা লেন্সের মতই, ভাল টিউবের সাথে মিটার থাকে, অটোফোকাস কাজ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফিতে আগ্রহি হলে এটা কিনতে পারেন

ভাল ছবির জন্য ক্যামেরার সাথে আরেকটি জিনিষের কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন ক্যামেরা রাখার জন্য ষ্ট্যান্ড সাধারনত টিন-পা অলা ট্রাইপড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ছবি উঠানোর সময় আপনার হাত সামান্য কেপে গেলে তার ফলে ছবি ঝাপসা হবে বিশেষ করে দুরের ছবি উঠানোর সময়, অথবা অল্প আলোতে ছবি উঠানোর সময় (যখন বেশি সময় ধরে এক্সপোজার দিতে হয়) খুব অল্প দামেই ট্রাইপড কিনতে পাওয়া যায় মনোপড নামে এক-পা অলা ষ্ট্যান্ডও ব্যবহার করতে পারেন বাইরে যাওয়ার সময় এগুলি সহজে বয়ে নেয়া যায়

সবশেষে, ক্যামেরার যত্ন নিতে অবশ্যই নির্দিষ্ট ক্যামেরার জন্য তৈরী একটি ভাল ব্যাগ ব্যবহার করুন