বাংলা নিয়ে টানাহেচড়া কম হয়নি। একসময় কম্পিউটারে শুধুমাত্র বাংলা ইন্টারফেস এবং ফন্ট ব্যবহারের জন্য কয়েক হাজার টাকা করে ব্যয় করতে হত। এরপর নানারক, বাংলা আসতে শুরু করল। মাউস ক্লিক করে বাংলা লেখা, ইংরেজি টাইপ করে বাংলা লেখা ইত্যাদি ইত্যাদি। সকলের উদ্দেশ্য একটাই, টাকা কামানো। এরই মধ্যে ভাষা হোক উন্মুক্ত এই শ্লোগান নিয়ে আসে বিনামুল্যের অভ্র। খুব দ্রুতই তা জনপ্রিয়তা লাভ করে সব ধরনের উইন্ডোজে ব্যবহারযোগ্যতার কারনে। অভ্রর নামে কপিরাইট আইন ভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন বিজয় নির্মাতা জনাব মোস্তফা জব্বার। আর কপিরাইট অফিসও বিন্দুমাত্র কালক্ষেপন না করে উকিল নোটিস (শো-কজ) পাঠিয়েছে অভ্র নির্মাতা মেহদি হাসান খানের কাছে।গত ৪ এপ্রিল এক লেখায় অভ্রকে পাইরেটেড সফটঅয়্যার হিসেবে উল্লেখ করেন জনাব মোস্তফা জব্বার তার এক লেখায়। অভ্র ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ব্লগে এর প্রতিবাদে এবং অভ্রর সমর্থনে বক্তব্য দিতে শুরু করেন। এরই প্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ব্লগিং কিংবা সোস্যাল নেটওয়ার্ক এখনও প্রতিবাদের মাধ্যম হয়ে ওঠেনি। অভ্রর ওপর এই আক্রমন সেই সুযোগ এনে দিয়েছে অভ্র এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সামনে। ১৬ কোটি মানুষ যে ভাষা ব্যবহার করে সেই ভাষায় যেকোন কাজ করার জন্য কোন ব্যক্তির মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে, বিষয়টি গ্রহনযোগ্য মনে করেন না অনেকেই।
উল্লেখ করা যেতে পারে বিনামুলের অভ্র তাদের www.omicronlab.org ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে যে কেউ ব্যবহার করতে পারেন।
অভ্র'র সাথে আছি।
ReplyDeleteবেচারা। এখন মাল্টিমিডিয়া বিশেষজ্ঞ হিসেবে কেউ ডাকে না, ফন্ট বিক্রি করেও দিন চলে না। সরকারের টাকাই ভরসা।
ReplyDelete