এবছর বড়দিনের সময় উপহার হিসেবে আইপড, এমপিথ্রি প্লেয়ার এবং অন্যান্য জনপ্রিয় দ্রব্যসামগ্রীর সাথে এবার জনপ্রিয়তা পাবে ইলেকট্রণিক বুক রিডার।
আই-সাপ্লাইয়ের গবেষণা থেকে এতথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী গতবছরের ১০ লক্ষ বিক্রির বিপরীতে এবছর ইলেকট্রনিক বুক রিডার বিক্রি ৫০ লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে। একদিকে এগুলোর দাম কমানো, সুযোগ বাড়ানো এবং অন্যদিকে নতুন নতুন ডিভাইস বই পড়ার কাজে ব্যবহারের ফলে এটা ঘটছে বলে বলা হয়েছে।
গতবছর উপহার তালিকায় শীর্ষে ছিল এমপিথ্রি প্লেয়ার। এবার ই-বুক রিডার তারসাথে ভাল প্রতিদ্বন্দিতা করতে পারে। বিশেষভাবে অন্যান্য ডিভাইস এই কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরী করে দেয়ার পর। বলা হচ্ছে বই পড়ার জন্যই তৈরী আমাজনের কিন্ডলে রিডার এবং সনির রিডারের চেয়ে মানুষ আইফোন এবং আইপড টাচ বেশি ব্যবহার করে। ই-বুক রিডারের বাজারে আমাজনের কিন্ডলের স্থান সকলের ওপরে। আমেরিকার শতকরা ৬০ ভাগ বাজার এদের দখলে। কিন্ডলে ২ তৈরীর খরচ ১৮৬ ডলার, বিক্রি করা হয় ১৯৯ ডলারে। কাজেই লাভের পরিমান ভালই। সনি ১৯৯ ডলার দামে নতুন মডেল বাজারে ছেড়েছে।
বছরের শুরুতে বলা হয়েছিল এবছর ২০ লক্ষ ই-বুক রিডার বিক্রি হতে পারে। এখন বলা হচ্ছে এই পরিমান তারচেয়ে অনেক বেশি হবে। তারপরও পোর্টেবল মিউজিক প্লেয়ারের তুলনায় এই বাজার একেবারেই ছোট। এবছর পোর্টেবল মিউজিক প্লেয়ার বাজারে ছাড়া হচ্ছে ২২ কোটি ৫০ লক্ষ।
ই-বুক রিডার ছাড়াও ট্যাবলেট পিসিও বই পড়ার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলি ব্যবহার করে বই পড়া ছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহার, গান শোনা, ভিডিও দেখা সবকিছুই করা যায়। তোসিবার ৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট পিসিকে হাই ডেফিনিশন ভিডিও দেখা যায়। আরো অনেক কোম্পানীই এধরনের পিসি তৈরী করছে।
অনেকের মতে ই-বুক রিডারকে সত্যিকারের বইয়ের স্থান দখল করার পর্যায়ে যেতে এখনও অনেকদুর যেতে হবে। উল্লেখ করা হয়ত অপ্রাসংগিক হবে না, এখন পর্যন্ত কোন ই-বুক রিডারে বাংলা পড়ার ব্যবস্থা নেই। একমাত্র এমবেডেড ফন্ট সহ পিডিএফ ব্যবহারের সুযোগ ছাড়া।
October 4, 2009
ই-বুক রিডার এর বিক্রি বাড়ছে E-readers seen as holiday hit
October 3, 2009
হাইড্রোজেন চালিত মোবাইল চার্জার Taiwan unveils hydrogen-powered mobile phone chargers
তাইওয়ান হাইড্রোজেন চালিত মোবাইল চার্জার তৈরী করেছে।
এতে মোবাইল ফোনকে ইলেকট্রিক লাইনে সংযোগ না দিয়ে দু ঘন্টায় ব্যাটারী চার্জ করা যায়। হাইড্রোজেন রিসাইকেল করা যায়। এই যন্ত্র অল্প শক্তি ব্যবহার করে। ফলে পরিবেশের জন্য সহায়ক হবে বলে দাবী নির্মাতাদের।
উত্তর তাইওয়ানের সিনচু সিটিতে অবস্থিত ইন্ডাষ্ট্রিয়াল টেকনোলজি রিসার্চ ইনষ্টিটিউট এর নির্মাতা। তাদের বক্তব্য, আগামী দুবছরের মধ্যে এই চার্জার বর্তমানের চার্জারের যায়গা দখল করবে।
এই চার্জার তৈরী তাইওয়ান সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ, বলছেন তাদের বিদ্যুত মন্ত্রী। তার বক্তব্য, এর মাধ্যমে তাইওয়ার হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তিতে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য যায়গা দখল করতে পারে। তাদের নিজেদের জন্যও এই প্রযুক্তি খুবই জরুরী কারন তাদের প্রয়োজনের ৯৮ ভাগ বিদ্যুত আমদানী করতে হয়।
অনলাইনে ব্যক্তিগত ফাইল ব্যবহার Real-Time Personal Video Sharing with Gleedo 1.0
পরিচিত কারো কাছে একটা ভিডিও ক্লিপ পাঠাতে চান, কিংবা অন্য কোন ফাইল। একমাত্র পথ থাকে ই-মেইলের সাথে পাঠানো। ততটুকুই যতটুকু ই-মেইল সার্ভিস সাপোর্ট করে। ইচ্ছে করলেও বড় ফঅইল পাঠাতে পারবেন না। এই সমস্যার সমাধান দিচ্ছে গ্লিডো। এটা বিশ্বে একমাত্র সফটওয়্যার যা ব্যবহার করে খুব সহজে ভিডিও, মিউজিক বা অন্যান্য ডকুমেন্ট অন্যদের সাথে ব্যবহার করা যাবে। তারপরও এটা সীমাবদ্ধ থাকবে যারা ব্যবহার করবেন শুধুমাত্র তাদের মধ্যেই। ইউটিউবের মত যেকেউ ইচ্ছে করলেই সেটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে না।
এই সফটওয়্যারে একটি প্রাইভেট অনলাইন মিডিয়া রুম তৈরী করা যায়। যারা সেখানে অংশ নেবেন তারা তাদের ভিডিও ব্যবহার কিংবা নিজেদের মধ্যে কথা বলার এমন পরিবেশ তৈরী করার সুযোগ পাবেন যেন একই ঘরে রয়েছেন। একাজে ভিডিওর ব্যবহার এতটাই বেড়েছে যা চমকে দেয়ার মত। সাম্প্রতিক এক জড়িতে দেখা গেছে অংশগ্রহনকারীদের ৪০ ভাগেরই নিজের ভিডিও তৈরী করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই এই সফটওয়্যার ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ারিংকে আরেকধাপ এগিয়ে নেবে সন্দেহ নেই।
তাদের ওয়েবসাইট থেকে বেটা ভার্শন ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। ডাউনলোডের ঠিকানা : http://gleedo.com/download
October 2, 2009
ছোটদের জন্য অলিম্পাসের ক্যামেরা প্যাকেজ Olympus, Crayola offer kid-friendly digicam bundle
সারা বিশ্বে যখন কোটি কোটি ক্যামেরা বিক্রি হচ্ছে, সবার হাতে হাতে ক্যামেরা ঘুরছে তখন ছোটরাই বা বাদ থাকবে কেন। বিশেষভাবে ছোটদের জন্য ক্যামেরা বিক্রি করছে অলিম্পাস। আসলে ক্যামেরা ছোটদের জন্য বলা হয়ত ঠিক হবে না কারন অনেক ক্যামেরাই যে কেউ ব্যবহার করে ভাল ছবি উঠাতে পারে। এই ক্যামেরার সাথে সফটওয়্যার দেয়া হচ্ছে যা ছোটদের। ক্রায়োলা’ তৈরী লাইট, ক্যামেরা, কালার নামের এই সফটওয়্যার দিয়ে ফটোগ্রাফকে রং করার ছবিতে পরিনত করা যাবে।
ছবি উঠানোর পর তাকে ক্রায়োলার ওয়েব সাইটে (http://www.crayola.com/colorme) পাঠাতে হবে। সেই ছবির প্রিভিউ দেখা যাবে বিনা টাকায়। তবে প্রিন্ট করার আগে কিছু লাইসেন্স ফি দিতে হবে। প্রিন্ট করা ছবিতে ফ্রেম, লাইন ইত্যাদি থাকবে।
Olympus FE-46 নামের এই ক্যামেরা কিনলে কি পাওয়া যাবে জানা যাক। ক্যামেরার সেন্সর ১২ মেগাপিক্সেল। পুরুত্ব ১ ইঞ্চির সামান্য বেশি। ৫ এক্স অপটিক্যাল জুম, ৪ এক্স ডিজিটাল জুম, মুভি রেকর্ডিং, ২.৭ ইঞ্চি এলসিডি ডিসপ্লে। দুটি এএ ব্যাটারী দিয়ে পাওয়ার দিতে হয়। ১৯ মেগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরীর সাথে এক্স-ডি কার্ড ব্যবহার করা যায়।
ক্রায়োলার পক্ষ থেকে দেয়া হবে ৬৪ রংয়ের ক্রায়োলা ক্রায়োন, ৬ মাস লাইট, ক্যামেরা, কালার ব্যবহারের লাইসেন্স এবং সবকিছু রাখার জন্য একটি রঙিন প্যাকেট।
এই প্যাকেজের দাম ৯৯.৯৯ ডলার।
নোকিয়া মোবাইল এন-৮৬ এ ফেস ডিটেকসন Nokia N86 8MP now has face detection
নোকিয়া তাদের উচু মানের ক্যামেরা ফোন এন-৮৬ এর আপডেট ঘোষনা করেছে।
এরফলে এর ক্যামেরায় ফেস ডিটেকসন টেকনোলজি ব্যবহার করা যাবে। নতুন এই প্রযুক্তি ছাড়াও ষ্টিল এবং ভিডিও ক্যাপচারের ক্ষেত্রে কিছু উন্নতি করা হয়েছে এবং আগের কিছু ত্রুটি দুর করা হয়েছে।
এর আগের আপডেটে (১১.০৪৩) ভিডিওর মান এবং অল্প আলোতে ছবি উঠানোর সুযোগ বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমান আপডেটের ফলে রেড-আই রিডাকসন যোগ করা হয়েছে, নতুন একটি ফোকাল পয়েন্ট ইন্ডিকেটর যোগ করা হয়েছে এবং ম্যাক্রো শট উন্নত করা হয়েছে।
নতুন আপডেটে অভি ষ্টোর ক্লায়েন্টে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া এই আপডেটের ফলে ষ্টোরেজ এবং মেমোরীতে অতিরিক্ত কিছু ফাকা পাওয়া যাবে।
নতুন এই আপডেট (২০.১১৫) নোকিয়ার ওয়েব সাইট থেকে পাওয়া যাবে।
ফুজির থ্রিডি ক্যামেরা Fujifilm 3D Camera, FinePix REAL 3D W1
গতবছর ফটোকিনায় ফুজিফিল্ম তাদের থ্রিডি ক্যামেরার মডেল দেখিয়েছিল। এখন সেই ক্যামেরা বাজারে। আগের থেকে সত্যিকারের ক্যামেরা আরো পাতলা এবং ডিজাইন আকর্ষনীয়। Fujifilm FinePix REAL 3D W1 নামের এই ক্যামেরায় সবচেয়ে যা বড় বৈশিষ্ট তা হচ্ছে, ডিজিটাল ছবির ক্ষেত্রে এটা নতুন এক মাত্র। এর সামনের দিকে রয়েছে দুটি লেন্স, দুটি মাইক্রোফোন। এর ফলে সরাসরি থ্রিডি ইমেজ কিংবা থ্রিডি ভিডিও রেকর্ড করা যাবে।
এর ইমেজ সেন্সর ১০ মেগাপিক্সেল। থ্রিডির পেছনে কাজ করে রিয়েল ফটো থ্রিডি ইমেজ প্রসেসর। দুটি লেন্সের মধ্যে তারতম্য ০.০০১ সেকেন্ডের কম। এই সময়ে সাটার রিলিজ, জুম পজিশন ইত্যাদি এক করতে পারে। এর ২.৮ ইঞ্চি এলসিডি ডিসপ্লেতে লাইট ডিরেকশন কন্ট্রোল মডিউল রয়েছে। এরফলে ব্যবহারকারী ডান এবং বাম চোখের জন্য পৃথক আলো দেখতে পায়। সরাসরি এখানেই থ্রিডি ইমেজ দেখা যায়।
থিডি ছবি উঠানো ছাড়াও এখানে দুটি লেন্স ব্যবহার করে টুডি ইমেজের বিশেষ ব্যবহার এনেছে। একই সাথে ভিন্ন ভিন্ন জুম সেটিংএ দুই লেন্সের মাধ্যমে ছবি উঠানো যায়।
এই ক্যামেরায় ছবি এবং ভিডিওর জন্য এসডি/ এসডিএইচসি কার্ড ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া ৪২ মেগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরী রয়েছে। ইউএসবি ২.০, টিভি আউটপুট ইত্যাদির ব্যবস্থা রয়েছে।
এতে ৩-এক্স জুম সহ ফুজিনন লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। টুডি মোডে ৫.৭ এক্স ডিজিটাল জুম ব্যবহার করা যায়।