May 14, 2009

ইন্টেলের ১৪৫ কোটি ডলার জরিমানা $1.45B fine for Intel

ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীপ নির্মাতা ইন্টেলকে তাদের ব্যবসা পদ্ধতির কারনে ১৪৫ কোটি ডলার জরিমানা করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় চীপ নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দ্বীতিয় বৃহত্তম কোম্পানী এএমডি তাদের অভিযোগ যেসব কোম্পানী এএমডির সাথে ব্যবসা করে তাদেরকে ইন্টেল নানাভাবে হয়রানি করে গত ৫ বছর ধরে এএমডি এই বিষয় নিয়ে মামলা করে যাচ্ছে

ইইউ কম্পিটিশন কমিশনার বলছেন ইন্টেল তার প্রতিদ্বন্দিদের ব্যবসা করার সুযোগ না দিয়ে ইউরোপের লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করছে তারা ইচ্ছে করে প্রতিদ্বন্দিদের ব্যবসা থেকে বঞ্চিত করছে ইন্টেলকে কিছু কিছু পণ্যের বিক্রি পদ্ধতি পাল্টাতে হবে যদিও সে পণ্য কি তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি এএমডি প্রধান ডার্ক মেয়ার একে প্রতিযোগিতামুলক বাজারের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন ইন্টেল জানিয়েছে তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে

এই রায়ের পর আমেরিকাতেও ইন্টেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি-না নিশ্চিত না হলেও বর্তমান সরকারের ওপর বড় ধরনের চাপ আসবে এটা নিশ্চিত

কম্পিউটার জগতের মাইক্রোপ্রসেসরের বাজার এই দুই কোম্পানীর দখলে ইন্টেলের দখলে ৮০ ভাগ, বাকিটা এএমডি-র একজনের ক্ষতির অর্থ আরেকজনের লাভ

এএমডির প্রথম অভিযোগ কম্পিউটার নির্মাতাদের ইন্টেল এমন দামে প্রসেসর বিক্রি করে যে কোন কোন ক্ষেত্রে তা বিনামুল্যে বিতরনের মত এক্ষেত্রে এসার, ডিল, এইচপি, লেনোভো, এনইসি ইত্যাদি কোম্পানীর তথ্য হাজির করেছে এএমডি

দ্বিতীয় অভিযোগ, কম্পিউটারে কোন প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে (ইন্টেল ইনসাইড) তার লোগো ব্যবহার করে বানিজ্যিক প্রচারনা চালানোযে কারনে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাচ্ছে

May 13, 2009

সেরা সুপারজুম ক্যামেরা Canon SX1, Nikon P90, Panasonic FZ28

ডিজিটাল এসএলআরের বাইরে যারা ফটোগ্রাফিতে বৈচিত্র চান তাদের প্রথম পছন্দ সুপারজুম ক্যামেরা গাছে বসে থাকা পাখির ক্লোজআপ ছবি, ফুলের ওপর বসা মৌমাছি কিংবা প্রজাপতি, কিংবা গ্যালারীতে বসে মাঠের মধ্যে খেলোয়ারের মুখ সবকিছুই ধারন করা যায় এতে একসময় ১৮এক্স জুম অনেক বেশি মনে হত বর্তমানে ২৪/২৬ এক্স জুম ক্যামেরা পাওয়া যায় সবগুলিতেই ভিডিও করা যায় কোন কোনটিতে হাই-ডেফিনিসন এদের মধ্যে কোনটির সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ৩টি সুপারজুম ক্যামেরা Canon Powershot SX1 IS, Nikon Coolpix P90 এবং Panasonic Lumix DMC FZ28 এর তুলনামুলক পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে

জুম : প্যানাসনিক ক্যামেরাটি ১৮ এক্স জুম (২৭-৪৮৬মিমি), ক্যানন ২০এক্স (২৮-৫৬০ মিমি) এবং নিকন ২৪ এক্স (২৬-৬৪২ মিমি) কাজেই ওয়াইড এবং জুম দুদিক থেকেই অন্যদের থেকে নিকন এগিয়ে তবে প্যানাসনিকে একটি বৈশিষ্ট হচ্ছে ৩ মেগাপিক্সেলে ৩২ এক্স ব্যবহার করার বিশেষ ব্যবস্থা

মেগাপিক্সেল : নিকন ১২ মেগাপিক্সেল সেন্সর ব্যবহার করে, অন্যদিকে ক্যানন এবং প্যানাসনিক উভয়ই ১০ মেগাপিক্সেল এদিক থেকেও নিকন এগিয়ে

ভিডিও : ক্যানন এবং প্যানাসনিক হাই ডেফিনিশন ভিডিও রেকর্ড করে অন্যদিকে নিকন রেকর্ড করে ভিজিএ রেজুলৃশন। সবগুলোতেই ষ্টোরেজ হিসেবে এসডি/এসডিএইচসি কার্ড ব্যবহার করা হয়

ছবির মান : যারা ছবির মান বিশ্লেষন করেন তাদের মতে তুলনার বিচারে প্যানাসনিকের ছবির মান অত্যন্ত ভাল ক্যানন নিয়ে কোন সমস্যা নেই তবে নিকন সম্পর্কে অভিমত হচ্ছে হাই এন্ড জুমের সময় এটি স্লো ফোকাস করে এবং অটোফোকাসের সময় মাঝের কোন বস্তু সমস্যা তৈরী করে রঙের ক্ষেত্রে ক্যানন থেকে কিছুটা পিছিয়ে

দাম : দামের দিক থেকে প্যানাসনিক সবচেয়ে কম, ৩৫০ ডলারের কাছাকাছি, নিকন প্রায় ৪০০ ডলার, ক্যানন ৬০০ ডলারের কাছাকাছি ক্যানন এসএক্স-১ এর মত মোটামুটি একই ধরনের আরেকটি মডেল রয়েছে এসএক্স-১০ এর দাম ৪০০ ডলারের নিচে দুই মডেলের একমাত্র পার্থক্য এসএক্স-১০ হাই-ডেফিনিসনের বদলে ভিজিএ (৬৪০-৪৮০) ভিডিও রেকর্ড করে

সিদ্ধান্ত : ক্যামেরাগুলির মধ্যে সত্যিকারের বড় ধরনের পার্থক্য কমই সবগুলিতেই ম্যানুয়েল কন্ট্রোল, ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন, ফেস ডিটেকশন, অনেকগুলি সিনমোড ইত্যাদি রয়েছে দামের বিষয়টি সহনীয় হলে ক্যানন প্রথম পছন্দ হতে পারে, যদিও জুমের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে ভিডিও তত গুরুত্বপুর্ন না হলে এসএক্স-১ এর বদলে এসএক্স-১০ এর কথা ভেবে দেখা যেতে পারে এর আরেকটি সুবিধা এর এলসিডি ডিসপ্লে আর্টিকুলেট, যার অর্থ এটি ঘুরিয়ে বিভিন্ন অসুবিধাজনক অবস্থানেও ছবি তোলা যায়। অন্যদিকে প্যানাসনিক এর দাম সবচেয়ে কম এবং কাজের দিক থেকে যথেষ্ঠ ভাল নিকনকে এদের মাঝামাঝি রাখা যেতে পারে

এদের বাইরে সুপারজুম ক্যামেরা মধ্যে অলিম্পাস ৫৯০ ইউ জেড দেখা যেতে পারে এটা ২৬ এক্স জুম (২৬-৬৭৬ মিমি, ১২ মেগাপিক্সেল, দাম ৪০০ ডলারের কিছু বেশি) যারা এক্সডি মেমোরী কার্ডের জন্য অলিম্পাসকে এড়িয়ে চলেন তাদের জানাচ্ছি, এতে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করা যায়। তুলনামুলক কম ব্যবহার হলেও পেনটাক্সের এক্স-৭০ সুপারজুম ক্যামেরা রয়েছে। সেটাও দেখতে পারেন।

শেরিফের নতুন সফটওয়্যার ফটোপ্লাস


বৃটেনের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান শেরিফ লিমিটেড ফটো এডিটিং এর জন্য ফটোপ্লাশ ১৩ ডিজিটাল ষ্টুডিও (Photoplus X3 Digital Studio)নামে একটি সফটওয়্যার বাজারে ছেড়েছে। এটা ব্যবহার করে খুব সহজে উচু মানের ফটো এডিটিং এর কাজ করা যাবে। অনেকে বলছেন এই পর্যায়ে আজ পর্যন্ত যে সফটওয়্যারগুলি তৈরী হয়েছে এটা তাদের সেরা। ফটোপ্লাস এর সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে;

র ইমেজ প্রসেসিং (Raw Image Processing) – র ফটো ষ্টুডিও ব্যবহার করে ক্যামেরা উঠানো ছবির সব্বোর্চ্চ মান ঠিক রেখে র মোডে এডিটিং

হাই ডাইনামিক রেঞ্জ ইমেজিং বিভিন্ন এক্সপোজারে উঠানো একাধিক ছবি থেকে এইচডিআর ফটো তৈরী।

হাই কালার ইমেজ সবোর্চ্চ মানের জন্য এতে ৪৮ বিট কালার মোডে কাজ করা যায়।

খুব সহজে এবং দ্রুত ছবির কোন সমস্যা দুর করা যায়।

ধাতব পদার্থ, কাচ ইত্যাদি প্রতিফলন ইফেক্ট ব্যবহার।

মাইক্রোসফটের এইচডি ফটো সাপোর্ট। নতুন এই ফরম্যাটে মান ঠিক রেখে ফাইলকে যথেষ্ট ছোট রাখা যায়।

এছাড়াও ফিল্টার গ্যালারীতে পেজ কার্ল সহ নানাধরনের ইফেক্ট রয়েছে। ব্যবহার সহজ হওয়ার কারনে ফটোগ্রাফারদের ডিজিটাল ষ্টুডিও হিসেবে সফটওয়্যারটি পরিচিতি পাবে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে। এর দামও অন্যান্য সফটওয়্যারের তুলনায় খুবই কম। মাত্র ৮০ ডলার।

উল্লেখ করা যেতে পারে ফটো এডিটিং এর জন্য অত্যন্ত দামী ফটোশপ সবচেয়ে বড় যায়গা দখল করে রেখেছে। সবধরনের সুবিধা থাকলেও ফটোশপের ব্যবহার তুলনামুলক কঠিন। অনেকে নাইকনের (নিকন) ক্যাপচার এন-এক্স ব্যবহার করেন। এটাও যথেষ্ট দামী।

May 12, 2009

ব্লগ তৈরী শিখুন Create your own blog

ব্লগ তৈরী শেখার জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয় ?

হয় ব্লগ তৈরী শেখার ব্যবসা চালু হয়েছে বেশ কিছুদিন হল ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজি এসব কথাবার্তা যত বেশি চালু হচ্ছে এই ব্যবসার প্রসারও তত বাড়ছে সহজ কথায়, এটি প্রতারনা কম্পিউটার বিষয়ে যে সাধারন জ্ঞান দেয়া উচিত ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেই দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে ব্যবসায়িদের হাতে আপনি যদি ব্লগ তৈরী করতে চান তাহলে এই লেখাটুকু দেখুন এবং সরাসরি ব্লগ তৈরী করুন কারো সাহায্য ছাড়াই এবং কোনরকম অর্থব্যয় না করেই

আপনার যা প্রয়োজন তা হচ্ছে এইটি ই-মেইল এড্রেস যদি না থাকে তাহলে gmail.com এড্রেসে গিয়ে একটি ইমেইল একাউন্ট খুলুন ভয় পাবার কিছু নেই সেখানে শুধুমাত্র নিজের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য দিয়ে একটি ফর্ম পুরন করতে হয় একমাত্র সমস্যা যা হতে পারে তা হচ্ছে ইমেইল এড্রেস হিসেবে যে নাম আপনার পছন্দ সেটি আগেই কেউ ব্যবহার করতে পারে সেক্ষেত্রে নাম-সংখ্যা ইত্যাদির সমম্বয়ে তৈরী একটি শব্দ তৈরী করে ব্যবহার করুন ইমেইলের এড্রেস (নাম) এবং পাশওয়ার্ড ভালভাবে সংরক্ষন করুন

ব্লগারে ব্লগ তৈরীর জন্য blogger ওয়েবসাইটে যান মাত্র তিনধাপে ব্লগ তৈরীর নির্দেশাবলী দেখতে পাবেন যদি ইংরেজী ভীতি থাকে তাহলেও সমস্যা হবে না, বাংলায় নির্দেশাবলী দেখতে পাবেন সেখানে যা করতে বলা হয় তা করুন ব্লগের নাম, বিষয়-পরিচিতি টাইপ করে দিন, একটি থিম পছন্দ করুন (পরবর্থীতে যে কোন সময় পরিবর্তন করা যাবে) এবং ব্লগ তৈরী করুন ব্লগে যা করতে চান সেটা শুরু করুন প্রয়োজনে হেল্প দেখে নিন এটুকু কাজ যদি নিজে করতে না পারেন তাহলে একাজ আপনার জন্য নয় ব্লগারের জন্য যা গুরুত্বপুর্ন সে বিষয়গুলি বরং জেনে নিন

ব্লগে আপনি যে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন (যেমন এই ব্লগ তৈরী করা হয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ে তথ্য বাংলায় পরিবেশন করার জন্য) আপনি কোন বিষয়ে লিখবেন তা ঠিক করে নিন এমন কিছু লিখবেন যা অন্যদের কাছে আকর্শনীয়, গুরুত্বপুর্ন মনে হবে লেখা ছাড়াও ছবি, ভিডিও, সঙ্গিত ইত্যাদি নিয়েও ব্লগ হতে পারে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘুরে জেনে নিন ব্লগ কত ধরনের হতে পারে, সেখানে কি কি থাকে যে বিষয়ের ব্লগই করুন না কেন, সেটা নিয়মিত আপডেট করুন

ব্লগকে আকর্শনীয় করার জন্য সুন্দর দেখে থিম ব্যবহার করুন ওয়েবে সার্চ করলে বহু সুন্দর সুন্দর থিম পাবেন এগুলি বিনামুল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায় যেকোন সময় আপনার ওয়েবসাইটে থিম পরিবর্তন করতে পারেন

ভিজিটররা যেন সার্চ করে আপনার ওয়েব সাইট খুজে পায় সেজন্য বিভিন্নরকম পদ্ধতি (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) রয়েছে ping-o-matic সাইটে যান এবং আপনার ব্লগের ঠিকানা দিয়ে ping করুন এধরনের আরো বহু সার্ভিস রয়েছে যা ধীরে ধীরে আয়ত্ব করতে পারবেন ভিজিটরদের তথ্য জানার জন্য google analytics এ রেজিষ্টার করুন সেখানে দেয়া তথ্য অনুযায় নির্দিষ্ট কোড আপনার ব্লগের কোডের সাথে যুক্ত করুন আপনার ওয়েব সাইটে কতজন ভিজিটর ভিজিট করেছে, কোথা থেকে এসেছে, কোন বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে, কতক্ষন সেখানে থেকেছে, কোথায় ক্লিক করেছে সব তথ্য জানতে পাবেন

Adsense ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন দিন সেখান থেকে আপনার আয় আসতে থাকবে এক কথায়, এই কাজগুলির কোনটিতেই কারো সাহায্য প্রয়োজন হওয়ার কথা না

একই পদ্ধতিতে wordpress ব্লগ তৈরী করতে পারেন এর সুবিধে হচ্ছে পিং করার প্রয়োজন নেই, কাজটি ওয়ার্ডপ্রেস নিজেই করে এনালাইটিক জাতিয় কিছু প্রয়োজন নেই, এটিও সরাসরি কাজ করে তবে ফ্রি হোষ্টিং-এ সেখানে বিজ্ঞাপন দেয়া যায় না যদি বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান তাহলে ব্লগার তুলনামুলক সুবিধাজনক

ব্লগিং কে ভয় পাবার কিছু নেই নিজেই কয়েকমাস চেষ্টা করলে অভিজ্ঞ ব্লগারে পরিনত হবেন

উইন্ডোজ ৭ আসছে এবছরই Windows 7 coming this year

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭ এর রিলিজ ক্যান্ডডেট ইন্টারনেটে দেয়া হয়েছে ডাউনলোডের জন্য। তারপরও অনিশ্চয়তা ছিল ফাইনাল ভার্শন এবছরই ছাড়া হবে না-কি আগামী বছর। সাধারনত কোন অপারেটিং সিষ্টেম বাজারে ছাড়ার পর ৩ বছরের মাথায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনে মাইক্রোসফট। সে হিসেবে ভিসতার পর উইন্ডোজ ৭ আগামী বছর আসার কথা। মাইক্রোসফটের প্রস্তুতি চলছে চলতি বছরের শেষদিকে এটি বাজারে ছাড়ার। মাইক্রোসফটের ভাষায়, আমরা উইন্ডোজ ৭ এর ছুটির দিকে যাচ্ছি ভালভাবেই। ছুটির সময় বলতে সাধারনভাবে বছরশেষে বড়দিনের ছুটি বুঝায়।

উইন্ডোজ ৭ এর সাথে সাথে মাইক্রোসফটের অন্যান্য সফটওয়্যারের কথাও জানানো হয়েছে। একই সময়ে উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৯ রিলিজ ২ ছাড়া হবে। গত মাসে উইন্ডোজ সার্ভারের রিলিজ ক্যান্ডিডেটও ছাড়া হয়েছে।

উইন্ডোজ ৭ এর সাথে কাজ করার জন্য অন্যান্য বেশকিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে এরসাথে ঠিকভাবে কাজ করে এমন হার্ডওয়্যার তৈরী। এরই মধ্যে দুটি কোম্পানীকে উইন্ডোজ লোগো সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে। উইন্ডোজ ৭ এর সব সুবিধা কাজে লাগাতে পারে এমন অফিসও তৈরীর পথে। মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ নামে এই সফটওয়্যার জুলাইয়ে পরীক্ষার জন্য দেয়া হবে।

May 9, 2009

প্যানাসনিক ভিডিও ক্যামেরা Panasonic HDC-HS300

উচু মানের কনজুমার ক্যামেরায় আপনি যাকিছু আশা করতে পারেন তার সবই রয়েছে প্যানাসনিকের এই ক্যামেরায়। সব ধরনের ম্যানুয়েল কন্ট্রোল, বিভিন্ন এডজাষ্টমেন্টের জন্য প্যানাসনিকের বিখ্যাত লেন্স রিং, পরিবর্তনযোগ্য ভিউফাইন্ডার, নতুন টাচস্ক্রিন থেকে ব্যবহারযোগ্য বেশকিছু অটোমেটেড কন্ট্রোল এসবের সাথে রয়েছে ইন্টারনাল ১২০ জিবি হার্ডড্রাইভ এবং চমৎকার হাই ডেফিনিশন ভিডিও। যারা প্রফেশনাল ক্যামেরা খোজ করেন তারাও একবার এদিকে দৃষ্টি দেবেন।

বরাবরের মত প্যানাসনিকের এই ক্যামেরায়ও লো লাইট পারফরমেন্স অত্যন্ত ভাল। মসৃন এবং উজ্জ্বল ভিডিওতে নয়েজ প্রায় নেই বললেই চলে। বিশ্লেষকরা একে বছরের সেরা মানের ভিডিও বলে উল্লেখ করছেন। অভিজ্ঞরা যেমন সব ধরনের ম্যানুয়েল কন্ট্রোলের সুবিধে পাবেন তেমনি নবীনরাও খুব সহজে ইন্টেলিজেন্ট অটো ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।

এতে ৩টি ১/৪ ইঞ্চি সিমোস সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। অপটিক্যাল ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন সহ ১২এক্স জুমের লেইকা লেন্সের ফোকাস দুরত্ব ৪৪.৯ ৫৩৯ মিমি। ২.৬ মেগাপিক্সেল ষ্টিল ছবি উঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে (ভিডিওতে ২ মেগাপিক্সেল)। এর হার্ডডিস্কে সবচেয়ে ভাল মানের ভিডিও করলেও সাড়ে ৭ ঘন্টার ভিডিও রেকর্ড করা যাবে। সেইসাথে এসডি/এসডিএইচসি কার্ড ব্যবহার করা যাবে। ৩২গিবা কার্ডে ৪ থেকে ১২ ঘন্টার ভিডিও রেকর্ড হবে।

অডিও সহ অন্যান্য সব ধরনের কানেকটিভিটি রয়েছে। এককথায় সাধারন ক্যামেরার মধ্য থেকে ভাল মানের ভিডিওর জন্য প্রয়োজনীয় কোনকিছুই বাদ যায়নি।

এর দাম প্রায় ১৪০০ ডলার।