Showing posts with label Reader. Show all posts
Showing posts with label Reader. Show all posts

October 27, 2010

বার্নেস এন্ড নোবল এর রঙিন নুক ই-রিডার

নুক ই-রিডারের নির্মাতা বার্নেস এন্ড নোবল রঙিন টাচস্ক্রিনের রিডার আনতে যাচ্ছে। আমাজনের জনপ্রিয় ই-রিডার সাদা-কালো কিন্ডলে থেকে নুককালার অনেকটাই আলাদা হবে। সেইসাথে এপলের আইপ্যাড থেকেও তারা শিক্ষা নিয়েছে। এতে আনা হচ্ছে আরো গেম, ইন্টারনেট ব্যবহার, মিউজিক ষ্ট্রিমিং ইত্যাদি। অন্যান্য ভার্শনের মত এটাও চলবে গুগলের এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিষ্টেমে।

December 4, 2009

তাইওয়ানের সরকার ই-বুক ব্যবসায় সহায়তা দিচ্ছে Taiwan government to support e-book Industry


তাইওয়ান সরকার জানিয়েছে ই-বুকের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে তারা এই শিল্পে ২০০ কোটি তাইওয়ান ডলার সহায়তা প্রদান করবে। কোম্পানীগুলি তাদের খরচের ৪০ ভাগ পর্যন্ত সহায়তা পাবে সরকারের কাছ থেকে।

বর্তমান সময়েই তাইওয়ান ই-বুকের ক্ষেত্রে বিশ্বের সেরা। আমাজনের কিন্ডলে রিডার এবং সনি রিডারের বড় একটা অংশ যায় তাদের কাছ থেকে। এজন্য ব্যবহৃত ই-পেপার সরবরাহ করে তারা। সারা বিশ্বের ৯০ ভাগ ই-পেপার সরবরাহ করে প্রাইম ভিউ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটিমাত্র কোম্পানী। এগুলি দিয়ে ই-বুক রিডার তৈরী করা হয়।

২০০৯ সালে ই-বুকের বিক্রি ৪০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে বলা হচ্ছে। এই সংখ্যা আগামী বছরে দ্বিগুন হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাইওয়ান সরকারের এই সহায়তার ফলে ৬ ইঞ্চি ই-বুকের দাম ৩০০ ডলার থেকে কমে ১০০ ডলারে নেমে আসবে।

উল্লেখ করা যেতে পারে মানুষ অনলাইনে যাকিছু কেনাকাটা করে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে বই। মোট বিক্রির প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি। বর্তমানে ই-বুকের চাহিদা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আমাজন ছাড়াও গুগল, মাইক্রোসফট এবং আরো অনেকে এদিকে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। নতুন নতুন কোম্পানীও ই-বুক রিডার তৈরী করছে। এছাড়া আইফোন, আইপড টাচ ইত্যাদিও ই-বুক রিডার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

November 1, 2009

ক্রিয়েটিভের ই-বুক রিডার Creative e-book reader


গত দুসপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে দুটি কোম্পানী ই-বুক তৈরীর ঘোষনা দিয়েছে। প্রথমে জানা গেল বার্নেস এন্ড নোবল এর নুক, এরপর ব্রিজষ্টোন এর ফ্লেক্সিবল ই-রিডার। এখন শোনা যাচ্ছে জেন এমপিথ্রি প্লেয়ারের নির্মাতা ক্রিয়েটিভ ই-বুক রিডার তৈরী করছে। তাদের রিডারের নাম মিডিয়াবুক।

সিংগাপুরে তাদের বাৎসরিক সভায় নতুন এই যন্ত্রের মডেল দেখানো হয়েছে। এতে টাচস্ক্রিন, টেক্সট টু স্পিচ ফাংশন এবং এসডি কার্ড স্লট রয়েছে। এটি ক্রিয়েটিভের সিষ্টেম অন এ চিপ প্রযুক্তিতে কাজ করবে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকবে।

জানা যাচ্ছে ক্রিয়েটিভ স্থানিয় এবং বিশ্বের প্রকাশকদের সাথে কথা বলছে। যার ফলে গল্পের বই, খবরের কাগজ, পত্রিকা, শিক্ষামুলক উপকরন, পাঠ্যবই ইত্যাদি তারা মিডিয়াবুকের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারে। সিংগাপুর প্রেস হোল্ডিং, যারা ১৭টি খবরের কাগজ এবং শতাথিক পত্রিকা বের করে, তারা বলছে তারা ক্রিয়েটিভের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়ার নতুন পদ্ধতি পেতে চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে ভিডিও, রেডিও প্রোগ্রাম ইত্যাদি মানুষের কাছে পৌছে দেয়া যাবে।

October 19, 2009

ফ্রাংকফুর্ট বইমেলায় ই-বুক digital library at Frankfurt Book Fair

ইন্টারনেট অথবা ই-বুক রিডার কিংবা মোবাইল ফোনে ই-বুক পাঠের অবস্থান এখনও কাগজের বইয়ের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করার মত পর্যায়ে আসেনি। তবে হতে যাচ্ছে। বইয়ের সবচেয়ে বড় মেলা ফ্রাংকফুর্ট বইমেলায় ই-বুকের ষ্টল দেয়া হচ্ছে। বহু প্রকাশক তাদের বইয়ের ই-বুক ভার্শন নিয়ে হাজির হচ্ছেন সেখানে। বলা হচ্ছে এটা আগামীতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে বইয়ের ক্ষেত্রে। নেদারল্যান্ডের বিজি বি প্রকাশনার একজন এডিটর বলেছেন, সকলেই এতে আগ্রহি। তারপরও মনে হচ্ছে তারা অজানা কিছু দেখছেন।

বৃটেনের শীর্ষস্থানিয় প্রকাশনা সংস্থা ফেবার এন্ড ফেবারের জেসন কুপারের বক্তব্য, বই এখনও ভাল প্রযুক্তি। আপনার যা প্রয়োজন সবই করতে পারে। বই কখনো শেষ হবে না। এখনই এদেরকে ইলেকট্রনিক ধারায় আনা প্রয়োজন।

ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি প্রেস ১৯৯০ সাল থেকে ই-বুক বের করছে। তারা জানাচ্ছেন তাদের বইয়ের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক, ৪০০০ বই কিন্ডলের ই-বুক হিসেবে পাওয়া যায়।

অনেকের মতে মানুষ এখনও এ সম্পর্কে তেমন জানে না। বই কোথায় পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে ও ধারনা নেই। কিন্ডলে, সনি, মোবাইল ফোন, আইপড ইত্যাদি সেদিক থেকে খুবই ভাল কাজ করছে।

বইমেলায় শুধু যে প্রকাশনা সংস্থাগুলি ই-বুকের দিকে চোর দিচ্ছে এমন না, ইউরোপিয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ডিজিটাল লাইব্রেরি খোলা হচ্ছে। তাদের গত ৫০ বছরের সমস্ত তথ্য ৫০টি ভাষায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামুল্যে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাদের মোট ডকুমেন্টের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার, পৃষ্ঠা হিসেবে ১ কোটি ২০ লক্ষ। ছাপানো আকারে একটি তাকে রাখলে তার দৈর্ঘ্য হবে ৪ কিলোমিটার।

September 14, 2009

আসুসের ই-বুক রিডার ASUS low-cost touchscreen ebook

নেটবুক জনপ্রিয় করার পেছনে আসুসের ই-পিসির ভুমিকা অনেকখানি। এখন তারা হাত বাড়াচ্ছে ই-বুক রিডারের বাজারের দিকে। এবছরই তাদের আসুস ই-বুক নামের রঙিন, টাচস্ক্রিন ই-বুক রিডার বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। সাধারন বইতে যেভাবে পাতা উল্টানো হয় সেভাবে স্পর্শ করে পাতা উল্টানো যাবে এতে। ভার্চুয়াল কিপ্যাড ব্যবহার করে ল্যাপটপের মত কাজ করা যাবে। এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে এখান থেকেই। থাকবে স্পিকার, ওয়েব ক্যামেরা এবং স্কাইপি ব্যবহারের জন্য মাইক্রোফোন। সবকিছুর পরও এর দাম হবে আমাজনের কিন্ডলে কিংবা সনির রিডারের চেয়ে কম। ১৫০ ডলার।

আসুস জানিয়েছে এক্ষেত্রে তাদের পরিচিতি কম। অধিক সুবিধে দিয়ে বাজারে প্রবেশ করা প্রয়োজন। সেকারনেই ফিচার এবং দামের এমন সমম্বয় করা হয়েছে।

উল্লেখ করা যেতে পারে এপলও ই-বুক রিডারের বাজারে প্রবেশ করার কথা জানিয়েছে। আগামী বছরের শুরুতেই তাদের ঘোষনা দেয়ার কথা। ধারনা করা যায় এতে থ্রিজি কানেকটিভিটি থাকবে। অন্যদিকে সনি অল্পদিনের মধ্যেই থ্রিজি সহ উন্নতমানের রিডার আনতে যাচ্ছে। আমাজনের কিন্ডলেতে থ্রিজি আগে থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৫০ ডলার দামের আসুস ই-বুকে থ্রিজি থাকার সম্ভাবনা কম।