September 23, 2009

এডবি প্রিমিয়ার এলিমেন্ট ৮ এবং ফটোশপ এলিমেন্ট ৮ Adobe Premiere Elements 8 and Photoshop Elements 8

এডবি তাদের ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ফটোশপ এবং ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার প্রিমিয়ারের নতুন ভার্শন ছেড়েছে। দুটি সফটওয়্যারই বিশ্বের ১ নম্বর স্থান দখল করে রেখেছে তাদের ব্যবহারের সহজতা এবং সব ধরনের সুবিধার জন্য। দুটি সফটওয়্যার পৃথকভাবে অথবা একসাথে পাওয়া যাবে। এর ফলে এক সফটওয়্যারের মধ্যে থেকে আরেক সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধে পাওয়া যাবে। একটি অর্গানাইজার দুটি সফটওয়্যারকে একসাথে ব্যবহারে সাহায্য করবে। এতে সিএস-৪ এর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

নতুন অটো এনালাইজার নিজে থেকেই প্রিমিয়ারের জন্য ভাল ফুটেজগুলি বাছাই করে ট্যাগ করে দেবে। ফটোশপ এর পিপল রিকগনিশন নিজে থেকেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির ছবি বাছাই করে দেবে। নতুন যোগ করা ফুল স্ক্রীন প্রিভিউতে দেখে সরাসরি সেখান থেকে ইমেজ এবং ভিডিও ব্যবহার করা যাবে।

অটোমেশন ভিডিও ক্লিপের কোন সমস্যা নিজে থেকে দুর করবে। ভিডিওর কাপাকাপি ঠিক করা নিয়ে আর সময় ব্যয় করতে হবে না। শব্দ কমবেশি থাকলে সেটাও ঠিক করে নেবে নিজেই। আলো, রং এর সমস্যা কোথায় আছে সে যায়গাও নিজেই খুজে দেবে।

এরসাথে প্লাশ নামে একটি অপশন কেনার সুযোগ থাকবে যা কিনলে ১৫,০০০ ইমেজ, ৪ ঘন্টার ডিভিডি মানের ভিডিও, টিউটোরিয়াল, টিপস, ভিডিও ইফেক্ট, মুভি থিম ইত্যাদি পাওয়া যাবে। সেইসাথে অনলাইনে ২০ গিগাবাইট যায়গা বরাদ্দ দেয়া হবে। তবে এই সুযোগ পাওয়া যাবে শুধুমাত্র আমেরিকায়।

দুটি সফটওয়্যার একত্রে দাম ১৫০ ডলার। পৃথকভাবে প্রতিটি ১০০ ডলার।

September 22, 2009

কোডাকের হাই-ডেফিনিসন ওয়েব ক্যাম Kodak HD webcam connects to Skype

বিশ্বের প্রথমবারের মত হাই ডেফিনিসন ৩ মেগাপিক্সেল ওয়েব ক্যামেরা বাজারে এনেছে ক্যামেরা নির্মাতা কোডাক। পিসি অথবা ম্যাক প্লাগ এন্ড প্লে কানিকটিভিটির এই ক্যামেরা দিয়ে ভিওআইপি, ফেসবুক, ইউটিউব, ফ্লিকার ইত্যাদি সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার ছাড়াও বিল্ট-ইন ষ্টিল-ভিডিও ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তাদের ৫টি ভিন্ন ভিন্ন মডেলের দাম ৩০ থেকে ১০০ ডলার।

কোডাকের এই ওয়েবক্যামেরা ব্যবহারের সময় ইয়াহু, এওএল, এমএসএন ইনষ্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার, স্কাইপি ইত্যাদি ওপেন করার প্রয়োজন নেই। ওয়েবক্যামের সফটঅয়্যার ওপেন করে তার ভেতর থেকেই কানেক্ট করা যাবে। অতিরিক্ত কোন সফটওয়্যার বা ড্রাইভার প্রয়োজন কবে না।

ড্রাগ এন্ড ড্রপ পদ্ধতিতে যে কোন ছবি বা ভিডিওকে ফেসবুক, মাইস্পেস, ফ্লিকার, ইউটিউব ইত্যাদি সাইটে আপলোড করা যাবে। এক ওয়েব সাইট থেকে আরেক ওয়েব সাইটে একই পদ্ধতিতে ছবি বা ভিডিও দেয়া-নেয়া করা যাবে।

ক্যামেরাগুলি কাজ করবে উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা কিংবা ম্যাক ওএস ১০.৫ এবং পরবর্তী ভার্শনে।

September 20, 2009

হ্যাকিং সাইট হ্যাকিং Hacking a hackers site

আপনি যদি ভাইরাস, মালঅয়্যার ইত্যাদির ভুক্তভোগি হন তাহলে খবরটা শুনে একটুখানি হেসে নিতে পারেন। এফ-সিকিউর নামে এক ওয়েব নিরাপত্তা সংস্থা জানাচ্ছে তারা pakbugs.com নামে হ্যাকারদের সাইটে ঢুকে তাদের সব তথ্য বের করে এনেছে। এরা মালঅয়্যার কেনা-বেচার ব্যবসা ছাড়াও ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি জাতিয় কাজের সাথে জড়িত। তাদের ওয়েব সাইট থেকে রেজিষ্টার্ড মেম্বারদের তালিকা, তাদের পাশওয়ার্ড, ইমেইল ইত্যাদি তথ্য বের করে আনে তারা। এতে তাদের সাইটের স্ক্রীনশটও ছিল।

তবে এফ-সিকিউর জানাচ্ছে এর পর থেকেই সাইটটি কখনো চালু হচ্ছে কখনো বন্ধ থাকছে। সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে ঢোকা যাচ্ছে না।

September 19, 2009

বোসের আইপড স্পিকার Bose SoundDock 10 speaker system for iPod

স্পিকারের জগতে বোস বিশাল নাম। তা হোম থিয়েটার হোক, কম্পিউটার হোক অথবা গাড়িতেই হোক। তারা আইপডের সাথে ব্যবহারের জন্য স্পিকার সাউন্ডডক ১০ বাজারে ছেড়েছে। ব্লু-টুথ কানেকটিভিটির এই সাউন্ড সিষ্টেম তারের সংযোগ ছাড়াই যে কোন যায়গায় রেখে ব্যবহার করা যাবে।

আইপডের জন্য কথাটি শুনে আকারে ছোট মনে হলেও সাউন্ডডক-১০ বেশ বড়ই। ৯ – ১৭ – ১০ ইঞ্চি। এর জন্য নতুনভাবে উফার ডিজাইন করা হয়েছে। আইফোন, আইপড টাচ অথবা ক্লিক হুইল আছে এমন যে কোন ডিভাইসের সাথে একে ব্যবহার করা যাবে। এর বাইরে ডিভাইস ব্যবহারের জন্য কেবল দিয়ে সংযোগ দিতে হবে।

বোসের শব্দের মান নিয়ে যেমন কোন প্রশ্ন নেই তেমনি এর দাম নিয়ে আপত্তি অনেক। এই সাউন্ড সিষ্টেমের দাম ৬০০ ডলার।

ক্যানন এসএক্স-২০ আইএস রিভিউ Canon Powershot SX20 IS

সুপারজুম ক্যামেরা হিসেবে গতবছর ক্যানন বাজারে এনেছিল SX10 এবং SX1. এখন বলা হচ্ছে নতুন এসএক্স-২০ হচ্ছে এসএক্স-১০ এর বদলী। যদিও তাদের ওয়েবসাইটে এখনও আগের এসএক্স-১০ রয়ে গেছে। আগের মডেলের সাথে তুলনা করলে এতে ১০ মেগাপিক্সেলের যায়গায় ১২ মেগাপিক্সেলে উন্নিত করা হয়েছে এবং ভিজিএ ভিডিও যায়গায় হাই-ডেফিনিসন ভিডিও যোগ করা হয়েছে। এছাড়া বাকি যাকিছু তার পরিবর্তন না করে উন্নতি করা হয়েছে।

এক নজরে এসএক্স-২০ পরিচিতি;

সেন্সর ১২.১ মেগাপিক্সেল, অপটিক্যাল জুম ২০ এক্স (২৮-৫৬০ মিমি), ২.৫ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং ডিসপ্লে, অটো এবং ম্যানুয়েল শ্যুটিং মোড, এসডি/এসডি এইচসি, মাল্টিমিডিয়া কার্ড, এমএমসি এবং এইচসি এমএমসি কার্ড সাপোর্ট, নেক ষ্ট্রাপ, লেন্স ক্যাপ, ইউএসবি এবং এভি কেবল ইত্যাদি পাওয়া যাবে ক্যামেরা কিনলে। ক্যামেরায় ৪টি এএ ব্যাটারী ব্যবহার করতে হয়।

এসএক্স-২০ দেখতে অবিকল এসএক্স-১০ এর মত। কিছুটা ছোট আকারের এসএলআর ক্যামেরার মত। ওয়াইড এবং টেলি দুদিকেই ব্যবহারের জন্য বেশ উপযোগি। বাটনগুলি সহজভাবে ব্যবহারের উপযোগি। মেনু ব্যবহার সহজ, প্রতিটি বিষয়ের জন্য টিপস রয়েছে।

ক্যামেরায় ১৩টি প্রিসেট মোড রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন সিন মোড ছাড়াও রয়েছে এপারচার প্রায়োরিটি এবং সাটার প্রায়োরিটি। আর পুল ম্যানুয়েল তো রয়েছেই।

এই ধরনের অন্যান্য ক্যামেরার সাথে তুলনায় এর ডিসপ্লে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কাজ না করা অবস্থায় একে উল্টে রাখা যায় এবং ব্যবহারের সময় যেকোন দিকে ঘুরিয়ে সহজে ছবি উঠানো যায়।

এর এপারচার এফ/২.৮ (ওয়াইড) থেকে এফ/৫.৭ (টেলি)। ওয়াইড এঙ্গেলে কিছু ব্যারেল ডিসটর্শন পাওয়া যায়, এবং টেলিফটোতে কিছু পিনকুশন ডিসটর্শনও পাওয়া যায়। তবে এই মাপের লেন্সে এটা স্বাভাবিক বলেই ধরে নেয়া হয়।

এতে সুপার ম্যাক্রো মোডে ০ থেকে ৩.৯ ইঞ্চি দুরত্বে ফোকাস করা যায়। ম্যাক্রো মোডে এই দুরত্ব ৩.৯ ইঞ্চি থেকে ১.৬ ফুট। টেলিফটোতে সবচেয়ে কাছে ৩.৩ ফুট পর্যন্ত ফোকাস করা যায়। ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন অত্যন্ত কার্যকর।

ভিডিওর মান ভাল। সবচেয়ে ভাল মানের ভিডিও করার সময় একটানা ২৯ মিনিট রেকর্ড করা যায়। যে কোন মুহুর্তে ভিডিওর জন্য রেকর্ড বাটনে চাপ দিয়েই ভিডিও করা যায়।

এতে ডিজিক ৪ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যান্য সুপারজুম ক্যামেরার মত এর দামও ৪০০ ডলারের মধ্যে।

সুপারজুম ক্যামেরা কেনার জন্য অন্য যে মডেলগুলি খোজ নিতে পারেন;

Panasonic FZ35/38, Kodak Z980, Nikon P90, Olympus SP-590 UZ, Casio Exilim EX-FH20

এক্সপিফোনে উইন্ডোজ এক্সপি চলবে ITG xpPhone runs Windows XP

যদি বলা হয় এতে এএমডি প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, ৫১২ মেগাবাইট (অথবা ১ গিগাবাইট) র‌্যাম রয়েছে, সলিড ষ্টে এবং সাধারন হার্ডডিস্ক দুইই ব্যবহার করা যায়, ফুল কিবোর্ড এবং ৪.৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে তাহলে তাকে কম্পিউটার বলে মনে করাই স্বাভাবিক। আইটিজি এক্সপি ফোন আসলে মোবাইল ফোন। চীনের ইনভেষ্টমেন্ট টেকনোলজি গ্রুপ নামের প্রতিষ্ঠানের তৈরী। অনায়াসে নেটবুক কিংবা ল্যাপটপের চাহিদা মেটাতে সক্ষম এই ফোন।

আরেকবার জেনে নিন, এতে রয়েছে এএমডি সুপার মোবাইল প্রসেসর। ৫১২ মেগাবাইট/১ গিগাবাইট মেমোরী, ৮ থেকে ৬৪ গিগাবাইট এসএসডি, ৩০ থেকে ১২০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক, ১.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ভিজিএ, ইউএসবি, ইয়ারফোন, মাইক্রোফোন, ডক কানেকটর, সিম স্লট সহ সব ধরনের পোর্ট। এক্সপি ফোন ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। এতে কিবোর্ড ছাড়াও রয়েছে ডি-প্যাড এবং টাচপ্যাড। এতে আরো রয়েছে ওয়াই-ফাই, থ্রিজি, ব্ল-টুথ, জিপিএস এবং অপশনাল ওয়াই-ম্যাক্স।

উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারের পরও এতে এক চার্জে ৫ ঘন্টা টক টাইম এবং ৫ দিন ষ্টান্ডবাই পাওয়া যাবে।

আইটিজি ফোনটির মাপ জানায়নি। ছবি থেকে হিসেব করে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে, এর মাপ হবে ১৫৮-৭৫-১৫ মিমি। ওজন হতে পারে ৪০০ গ্রাম। সেক্ষেত্রে এটা বর্তমানের সবচেয়ে বড় আকারের মোবাইল ফোন হতে যাচ্ছে।

ফোনটি সাদা, কালো এবং লাল রঙে পাওয়া যাবে। এর দাম কত এবং কবে নাগাদ পাওয়া যাবে জানানো না হলেও সরাসরি কোম্পানী থেকে অনলাইনে বিক্রির আবেদন গ্রহন করা হচ্ছে। ওয়েব ঠিকানা;

http://www.xpphone.com/en/product/order.html