ক্যানন তাদের এসএক্স-১১০ কে আপগ্রেড করে ১২০ করেছে। বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে যা উল্লেখ করতে হয় তা হচ্ছে ৯ মেগাপিক্সেলকে ১০ মেগাপিক্সেলে উন্নিত করা। আরেকটি বড় ধরনের পরিবর্তন ইমেজ প্রসেসর হিসেবে ডিজিক-৪ ব্যবহার। ক্যাননের আরো দামী ক্যামেরায় এর ব্যবহার প্রমান করেছে যে অল্প আলোতে ভাল ছবি পাওয়া যায় এবং সাধারনভাবে ছবির মান এবং রং উন্নত হয়। দুরের ছবি উঠানোর জন্য অপটিক্যাল ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন খুব কার্যকর।
এতে আগের মডেলের মত ১০ এক্স জুম রাখা হয়েছে যা ৩৫ মিমি এর তুলনায় ৩৬ থেকে ৩৬০ মিমি। এর আকার এবং আকৃতি আগের মতই রয়েছে, ৪.৩৫ – ২.৭৭ – ১.৭৬ ইঞ্চি। সহজে পকেটে না রাখা গেলেও বড় ধরনের পকেটে রাখা সম্ভব। এতে ৩ ইঞ্চি এলসিডি ডিসপ্লে রয়েছে ছবি। ছোট ক্যামেরা হিসেবে পৃথক ভিউ ফাইন্ডার নেই। আইএসও ব্যবহার করা যাবে ৮০ থেকে ৩২০০। আইএসও সেনসিটিভিটি পরিবর্তনের সাথেসাথে নিজে থেকেই ফ্লাশের সেনসিটিভিটি পরিবর্তিত হয়। প্রয়োজনিয় সিন মোডের পাশাপাশি ম্যানুয়েল সাটার স্পিড এবং এপারচার কন্ট্রোল করার ব্যবস্থা রয়েছে। ভিডিও রেকর্ড করা যায় ভিজিএ রেজূলুশনে (৬৪০-৪৮০) ৩০ ফ্রেম/সে। এছাড়া এলপি মোডে ৩২০-২৪০ মোডেও রেকর্ড করা যায়।
এতে এডভান্সড ফেস ডিটেকশন যোগ করা হয়েছে। পাওয়ার সেভ মোডের কারনে ব্যাটারী বেশি সময় ব্যবহার করা সম্ভব। ছবি এবং ভিডিও রেকর্ড হয় এসডি/এমএমসি কার্ডে। পাওয়ারের জন্য দুটি পেনসিল ব্যাটারী (এএ) ব্যবহার করতে হয়। সিআইপিএ ষ্টান্ডার্ডে এক চার্জে ৪০০ ছবি উঠানো যায়।
এই ক্যামেরার দাম ২৫০ ডলার (বাংলাদেশে ২০-২২ হাজার টাকা)। এর আগের মডেল, এসএক্স ১০০ এবং ১১০ দুটিই ছিল ক্রেতাদের পছন্দের। ধারনা করা যায় এটিও সকলে পছন্দ করবে।
No comments:
Post a Comment