চিপ নির্মাতা ইন্টেল এবং এএমডির দ্বন্দ বহুদিনের। বাজারে ইন্টেলের আধিপত্য থাকলেও এএমডি কখনো ছেড়ে কথা বলেনি। বরং নতুন নতুন প্রযুক্তি এনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করেছে। প্রতিদ্বন্দিতার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে নতুন নতুন উদ্ভাবনী ব্যবহার, গতি বাড়ানো, চিপের আকার ছোট করা। ইন্টেল সিইএস-এ জানিয়েছে তারা এই প্রথমবারের মত ৩২ ন্যানোমিটারের চিপ তৈরী করছে। এটা তাদেরকে এএমডি থেকে এগিয়ে রাখবে। ২০১১ এর আগে এএমডির ৩২ ন্যানোমিটার চিপ আসার সম্ভাবনা নেই। অবশ্য এপ্রসংগে তাদের বক্তব্য পারফরমেন্সের সাথে এর সম্পর্ক নেই।ডেস্কটপের জন্য কোয়াড-কোর এবং ল্যাপটপের জন্য ডুয়াল-কোর মিলিয়ে নতুন প্রসেসরের সংখ্যা ২৭টি। সাধারনভাবে এই পরিবর্তন ব্যবহারকারীর চোখে পরবে না। ব্যবহারকারী হয়ত কিছুটা ভাল পারফরমেন্স পাবেন। কিন্তু চিপ নির্মাতার জন্য দাম কমানো সহজ হবে এই প্রযুক্তিতে।
ইদানিং এএমডি তাদের গ্রাফিক্স পারফরমেন্স বাড়ানোর দিকে বেশি দৃষ্টি দিয়েছে। তাদের মতে থ্রিডি গেম কিংবা হাই ডেফিরিশন ভিডিওর জন্য সেটাই বেশি গুরুত্বপুর্ন। এজন ৫৬০ কোটি ডলার ব্যয়ে এটিআই টেকনোলজী কিনে নেয় এএমডি ২০০৬ সালে। এখানেই তারা এগিয়ে আছে ইন্টেল থেকে। ইন্টেল এনভিডিয়াকে সাথে নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতার চেষ্টা চালাচ্ছে।
মুল ব্যবসার বাইরে ইন্টেল নেটবুক এবং মোবাইল ফোনের দিকে যাওয়ার চেষ্টাও করে যাচ্ছে। এবছরই এলজির তৈরী তাদের প্রসেসরের স্মার্টফোন বাজারে আসার কথা জানিয়েছেন ইন্টেল প্রধান পল ওটেলিনি। GW990 নামের এই ফোন বর্তমানের ফোনগুলি থেকে বড়, ৪.৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে (আইফোন ৩.৫ ইঞ্চি)। ভিডিও কনফারেন্সিং এবং হাই ডেফিনিশন ভিডিওর জন্য এই ফোন জনপ্রিয় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment