May 10, 2012

Canon PowerShot SX40 HS ক্যামেরা রিভিউ


সুপারজুম বা মেগাজুম ক্যামেরা থেকে খুব ভাল ছবি পাওয়া যায় একথা নিশ্চয়ই কেউ মনে করেন না। বিশেষ করে কম আলোতে। কিন্তু দুরের কিছু ছবি উঠানো যখন কথা তখন এর বিকল্প নেই। নির্দিষ্ট ক্যামেরা বাছাই করার কাজটিও খুব সহজ না। প্যানাসনিক, ফুজিফিল্ম, ক্যাসিও, ক্যানন, নাইকন সকলেরই রয়েছে এধরনের ক্যামেরা।
সাধারনভাবে ক্যাননের ছবির মান নিয়ে প্রশ্ন নেই। কিন্তু মেগাজুম ক্যামেরার ক্ষেত্রে কিছুটা সন্দেহ থেকেই যায়। এসএক্স৪০ এইচএস ক্যামেরার মাধ্যমে ক্যানন সেদিকে কিছুটা হলেও ভুমিকা রেখেছে। উল্লেখ করা যেতে পারে ক্যামেরাটি বাজারে এসেছে ২০১১ এর শেষদিকে।
ক্যামেরার আকৃতি অনেকটাই তাদের ইওস এসএলআর ক্যামেরার মত। ছোট হলেও বেশ ভালভাবেই হাতে ধরা যায়। অবশ্য এত ছোট না যে পকেটে রাখা যাবে।

May 8, 2012

Nikon Coolpix S9100 পকেট সুপারজুম ক্যামেরা রিভিউ


নাইকন এস বলতে ষ্টাইল বুঝায়। তাদের এস সিরিজের ক্যামেরাকে ষ্টাইল বলতে হয় শুধু চেহারায় না, কাজেই। অবিশ্বাস্যভাবে ১৮এক্স জুম লেন্স তারা এনেছে পকেট ক্যামেরায়। পকেটে নিয়ে বেড়ান, বহুদুরের ছবি উঠান কিংম্বা ফুল হাই ডেফিনিশন ভিডিও করুন, সব কাজের উপযোগি এই ক্যামেরা।
গতবছরের অত্যন্ত জনপ্রিয় এস৮১০০ মডেলের পরিবর্তে আনা হয়েছে এই ক্যামেরা। সেই ক্যামেরায় ছির ১০এক্স (৩০-৩০০ মিমি) জুম লেন্স। এর পরিবর্তে আনা হয়েছে ১৮এক্স (২৫-৪৫০ মিমি) লেন্স। একদিকে ওয়াইড এঙ্গেলের দিকে যেমন দৃষ্টি দেয়া হয়েছে অন্যদিকে টেলিফটোর দিকেও বাড়ানো হয়েছে অনেকখানি। এবং ৪৫০ মিমি লেন্স সহ এই ক্যামেরার ওজন মাত্র ৭.৬ আউন্স।

Nikon D7000 ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা রিভিউ


নাইকন তাদের ডি-৯০ ক্যামেরা বাজারে এনেছিল ২ বছরের বেশি আগেসেটা ছিল বিশ্বের এসএলআর প্রথম ক্যামেরা যেখানে ভিডিও রেকর্ড করা যায়এরপর বহু ক্যামেরায় ভিডিও যোগ হয়েছে, অনেকে এসএলআর ভিত্তিক ভিডিও ক্যামেরা বাজারে এনেছেতারপরও মানুষের আগ্রহ ছিল নাইকন এর বদলী মডেল হিসেবে কি আনেডি-৭০০০ সেই ক্যামেরা
বাইরে থেকে দুটি ক্যামেরার তেমন পার্থক্য চোখে পড়বে নাআকার, আকৃতি, ওজন একই রকমএটা মাঝারি আকারের ক্যামেরা, এন্ট্রি লেভেল এসএলআর থেকে বড়, প্রফেশনাল ক্যামেরা থেকে ছোটবডির ক্ষেত্রে খারাপ আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে যোগ করা হয়েছে ম্যাগনেশিয়াম এলয়অবশ্য তারা জানিয়েছে এই ক্যামেরা ডি-৯০ কে বাদ দিচ্ছে নাসেটাও চালূ থাকবে

May 7, 2012

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৩


স্যামসাং বর্তমানে বিশ্বের ১ নাম্বার এন্ড্রয়েড হ্যান্ডসেট নির্মাতা। সাম্প্রতিক এসপিডি রিপোর্টে বলা হয়েছে আমেরিকায় প্রতি ৪টি হ্যাস্ডসেটের মধ্যে ১টি স্যামসাং এর তৈরী। উল্লেখ করা হয়ত প্রয়োজন নেই ২০১২ সালের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে হ্যান্ডসেট তাদের গ্যালাক্সি এস ৩।
স্যামসাং সবসময়ই তাদের ডিসপ্লের বিষয়ে সচেতন। গ্যালাক্সি এস ৩ তে ব্যতিক্রম নেই। ৪.৮ ইঞ্চি এমোলিড ডিসপ্লের পিক্সেল ডেনসিটি ৩০৯ পিপিআই। এন্ড্রয়েড ডিসপ্লের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত।
সাধারনভাবে সেটটির বর্ননা এরকম;

Graphic Tablet: গ্রাফিক ডিজাইনারদের অপরিহার্য একটি ডিভাইস


আপনি ফটোশপ, ইলাষ্ট্রেটর, ফ্লাশ, পেইন্টার যে সফটঅয়্যারই ব্যবহার করুন না কেন, গ্রাফিক ডিজাইনার, ডিজিটাল পেইন্টার, এনিমেটর যাই হোন না কেন, আপনাকে মাউস ব্যবহার করে এমন কিছু কাজ করতে হয় যা মাউসের জন্য সুবিধেজনক না। কলম, পেনসিল বা তুলি ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ পান না। একাজের জন্যই গ্রাফিক ট্যাবলেট। এর দুটি অংশ, একটি অংশকে স্লেট বা কাগজের সাথে তুলনা করতে পারেন, আরেকটি ষ্টাইলাস নামের কলম বা পেনসিলের মত অংশ। এদুটি কাগজে যেভাবে ছবি আকেন সেভাবে ছবি আকা যায়।
বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক ট্যাবলেট এবং তাদের সুবিধে-অসুবিধের কথা জেনে নিন।

ফটোশপ সিএস-৬ রিভিউ


অনেকের কাছে গ্রাফিক ডিজাইন মানেই ফটোশপ। কাজেই ফটোশপ এর নতুন ভার্শন রিলিজ হলে তা নিয়ে আগ্রহ থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
এডবি যখন সিএস-৫ বাজারে আনে তখন সেটা ছিল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। এরপর ৫.৫ নামে একটি ভার্শন আনলেও সেখানে ফটোশপের জন্য কোন নতুনত্ব ছিল না। এরপর সিএস-৬ আনার সময় আরেকবার বিশাল পরিবর্তণ আনা হয়েছে। চেহারার পরিবর্তন এতটাই যে হঠাত করে দেখলে ফটোশপ বলে চিনতে ভুল হতে পারে। সমস্ত বাটন, আইকন নতুনভাবে তৈরী করা হয়েছে। যোগ করা হয়েছে একেবারে নতুন ফিচার।
প্রথমে কাজের দিক থেকে দেখা যাক। এর পারফরমেন্স বাড়ানো হয়েছে আগের থেকে। যার অর্থ আগের চেয়ে কম শক্তিশালী কম্পিউটারে ভালভাবে কাজ করবে। কোন কোন ক্ষেত্রে আগের থেকে ১০০০ গুন দ্রুত কাজ করবে বলে এডবির দাবী। একে সবচেয়ে বড় পরিবর্তণ বললে হয়ত ভুল হবে না।