June 3, 2009

উইন্ডোজ ৭ আসছে ২২শে অক্টোবর Windows 7 to launch 22 October

মাইক্রোসফট নিশ্চিত করেছে অক্টোবর মাসের ২২ তারিখে তাদের নতুন অপারেটিং সিষ্টেম উইন্ডোজ ৭ ফাইনাল ভার্শন বাজারে ছাড়া হবে আগামী মাসেই তাদের কোডিংএর সমস্ত কাজ শেষ হবে এর আগে বড়দিনের ছুটিতে ছাড়ার যে আভাস দেয়া হয়েছিল এই ঘোষনার ফলে তা এগিয়ে আনা হল

উইন্ডোজ ৭ এর জন্য টেকনোলজি গ্যারান্টি নামে একটি প্রস্তাবের কথা জানিয়েছে যারা ভিসতা ব্যবহার করেন তারা বিনামুল্যে বা খুবই কম মুল্যে উইন্ডোজ ৭ নিতে পারবেন তবে এই আপগ্রেড শুধুমাত্র ভিসতা হোম প্রিমিয়াম বা তারচেয়ে দামী ভার্শনের জন্য ভিসতা হোম বেসিক ব্যবহারকারীরা এই সুযোগ পাবেন না।

উইন্ডোজ ৭ মোট ৫ ধরনের ছাড়া হবে। এদের নাম Starter, Home Premium, Professional, Enterprise এবং Ultimate.

ট্রান্সসেন্ডের নতুন পন্য New products from Transcend

তাইওয়ানের কম্প্যুটেক্স মেলায় ট্রান্সসেন্ড হাজির করেছে অনেকগুলি নতুন পন্য। এর মধ্যে রয়েছে মেমোরী মডিউল, ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ, ফ্লাশ মেমোরী কার্ড, এমপিথ্রি প্লেয়ার, পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ, সলিড ষ্টেট ড্রাইভ, ডিজিটাল ফটো ফ্রেম ইত্যাদি।

দ্রুতগতির ২.৫ ইঞ্চি সাটা হার্ড ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট ৩ জিবি/সে। এতে ৬৪ মেগাবাইট ডির‌্যাম বাফার রয়েছে গতি বাড়ানোর কাজে সহায়তা করার জন্য। বর্তমানে ৬০ এবং ১২০ জিবি ধারনক্ষমতার বাজারে ছাড়া হয়েছে। এছাড়া ১৯২ জিবি একটি সাটা হার্ডড্রাইভ প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এমপি ৮৬০ ডিজিটাল মিউজিক প্লেয়ার নামে এমপিথ্রি প্লেয়ার দেখানো হচ্ছে। একে এমপিথ্রি প্লেয়ার না বলে ডিজিটাল মিউজিক প্লেয়ার বলাই যুক্তিসংগত কারন MP3, WAV, WMA, Protected WMA ছাড়াও FLAC, OGG ইত্যাদি ফরম্যাট ব্যবহার করতে পারে। এর ডিসপ্লে ২.৪ ইঞ্চি। সেখানে MPEG4, FLV ফরম্যাটের ভিডিও দেখা যাবে। এর ধারন ক্ষমতা ৪ এবং ৮ জিবি। এতে বড় আকারের স্পিকার যুক্ত করা হয়েছে যার ফলে হেডফোন ছাড়াও গান শোনা যাবে এবং এফএম রেডিও শোনা যাবে।

পিএফ-৭৩০ নামে ডিজিটাল ফটো ফ্রেম দেখানো হচ্ছে যেখানে নির্দিষ্ট একটি ছবি অথবা স্লাইড শো অথবা থাম্বনেইল ভিউ দেখা যাবে। এর সাথে এমপিথ্রি প্লেয়ার বিল্টইন, ফলে ছবি দেখার সময় গান শোনা যাবে। এর ধারন ক্ষমতা ২ জিবি।

নতুন পণ্যের পাশাপাশি আগের বেশকিছু পণ্যের উন্নতি ঘটানো হয়েছে।

June 2, 2009

সনি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগীতা Sony Photography Award 2010

বিশ্বের অন্যতম বড় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগীতা সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি এওয়ার্ড ২০১০ এর জন্য ছবি আহ্বান করা হয়েছে। পেশাদার এবং সৌখিন দুটি বিভাগে অংশ নেয়া যাবে। গতবছর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল মোট ১৩৯টি দেশ থেকে ৬০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী। এবারের প্রতিযোগীতায় সেরা পুরস্কারের খেতাব ছাড়াও বিজয়ী পাবেন ২৫ হাজার মার্কিন ডলার, সনি আলফা ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা, লেন্স এবং সনির ফটোগ্রাফি পণ্যসামগ্রী।

পেশাদারদের জন্য প্রতিযোগীতা মোট ১২বি বিভাগ তিনটি বিষয়ে ভাগ করা হয়েছে। ভাগগুলি হচ্ছে Commercial, fine art এবং photojournalism/documentary. মোট ৩৬টি বিভাগের সেরা ছবিগুলি ২০১০ এবং ২০১১ সাল ধরে সনির গ্লোবাল ট্যুরে প্রদর্শনীতে সারা বিশ্বে দেখানো হবে।

এবারের প্রতিযোগীতায় প্রথমবারের মত সৌখিন ফটোগ্রাফারদের জন্য ডকুমেন্টারী নামে বিভাগ চালু করা হয়েছে। ৯টি বিষয়ের মধ্যে থেকে একজনকে সনি এমেচার ফটোগ্রাফার অব দি ইয়ার ঘোষনা করা হবে এবং ৫০০০ ডলার পুরস্কার সহ সনির ক্যামেরা সামগ্রী দেয়া হবে।

১ জুন থেকে শুরু করে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছবি গ্রহন করা হবে। বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন : http://www.worldphotographyawards.org/

প্রতিযোগিতার বিস্তারিত

প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের জন্য বিষয়গুলি

  • Architecture
  • Arts and Entertainment
  • Advertising
  • Conceptual and Constructed
  • Contemporary Issues
  • Current Affairs
  • Fashion
  • Landscape
  • Music
  • Natural History
  • Portraiture
  • Sport

সৌখিন ফটোগ্রাফারদের জন্য বিষয়গুলি

  • Architecture
  • Conceptual & Constructed
  • Documentary
  • Fashion
  • Landscape –
  • Music
  • Natural History
  • Portraiture
  • Sport

নেটবুক এবং ওয়াইম্যাক্স মেলা Asia’s biggest IT Trade Fair

এশিয়ার সবচেয়ে বড় টেকনোলজী মেলা শুরু হয়েছে তাইওয়ানের রাজধারী তাইপেতে। এবারের মেলার মুল আকর্ষন অল্পদামের নেটবুক কম্পিউটার এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট মোবাইল টেকনোলজী। ২৯ বছর আগে এই মেলা যাত্রা শুরু করে। ধারনা করা হচ্ছে ৫ দিনের এই মেলায় তাইওয়ানের কোম্পানীগুলি নেটবুকের নতুন নতুন মডেল প্রদর্শন করবে। ২০০৭ সালে নেটবুক বাজারে আনা আসুসটেক, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পিসি নির্মাতা এসার সকলেই নতুন নতুন পন্য আনবে বলে জানা গেছে। এর কোন কোনটির ওজন ১ কেজির কম, দাম ২৫০ ডলারের নিচে। উল্লেখ করা যেতে পারে বিশ্বের মোট নেটবুকের বাজারের ৬০ ভাগ দখল করে রেখেছে তাইওয়ানের কোম্পানীগুলি।

নেটবুকের বাইরে মেলার আরেক আকর্ষন ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি। মেলার শুরু থেকে তাইপের একটি মেট্রো রেলে এক বছরের জন্য ওয়াইম্যাক্স চালু করা হবে। যাত্রীরা ট্রেনে ভ্রমনের সময় ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকতে পারবেন। তাইওয়ানের ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা জানাচ্ছেন আগামীতে মাসে ২৫ ডলার ব্যয় করে ব্যবহারকারী কল করা, অনলাইন গেম খেলা, অনলাইনে মেডিকেল চেক-আপ, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, হাই-ডেফিনিশন টিভি দেখা সবকিছুই করতে পারবে। তাইওয়ান এবছরই ওয়াইম্যাক্স চালু করে এবং তখন থেকে ছবিসহ ফোন করার সুবিধে দিয়ে আসছে। মোট ৬টি কোম্পানী ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স নিয়েছে তাইওয়ানে।

মেলায় ১৭০০ প্রদর্শক, ৪৫০০ বুথ রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে সেখানে ১ লক্ষ দর্শকের আগমন ঘটবে যার মধ্যে ৩৫০০০ বিদেশী ক্রেতা। মেলায় ২০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।

June 1, 2009

স্যামসাং এর ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফোন Pixon12

সনি এরিকশন ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসহ মোবাইল ফোনের ঘোষনা আগে দিতে পারে কিন্তু তাদের সাটিও ( আইডু) এর আগেই বাজারে আসছে স্যামসাং এর ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসহ মোবাইল ফোন পিক্সন১২ ৩.১ ইঞ্চি AMOLED টাচস্ক্রীণ ফোনে ওয়াই-ফাই, জিপিএস রিসিভার ইত্যাদিও যোগ করা হচ্ছে। এছাড়া এইসএসডিপিএ, ব্লুটুথ এসব তো থাকবেই।

পিক্সন ১২ কে মোবাইল ফোনের চেয়ে ক্যামেরার সাথে ভালভাবে তুলনা করা যায়। এতে ২৮ মিমি ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্স, জিনন এবং শক্তিশালী এলইডি ফ্লাশ, ৩০ ফ্রেম/সে ডি১ ভিডিও রেকর্ডিং, টাচস্ক্রিন অটোফোকাস, স্মার্ট অটো মোড, জিও ট্যাগিং, ফেস ডিটেকসন ইত্যাদি শক্তিশালী ক্যামেরার সব ফিচার যোগ করা হয়েছে। এর নিজস্ব মেমোরী ১৫০ মেগাবাইট। সেইসাথে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

সেটটি ইউরোপের বাজারে পাওয়া যাবে এই মাসেই (জুনে) এবং বাকি বিশ্বে ছাড়া হবে আগষ্টে।

এর দাম এখনো জানানো হয়নি।

পকেট সুপারজুম ক্যামেরা Nikon L100, Panasonic ZS3, Canon FX-110

বহুদুর থেকে গাছে বসে থাকা পাখি কিংবা ফুলের ওপর বসা প্রজাপতির ছবি উঠানো যায় এমন ক্যামেরার দিকে মানুষের আগ্রহ বেশিতবে সমস্যা হচ্ছে ক্যামেরার জুম ক্যাপাসিটি যত বাড়ে লেন্সের দৈর্ঘ্য তত বাড়তে থাকেফলে সেটা আর পকেটে বয়ে বেড়ানো যায় নাযে মুহুর্তে আপনার মনে হচ্ছে এখন একটা ছবি উঠানো প্রয়োজন ঠিক তখন আপনার কাছে ক্যামেরা নেইসবসময় কাছে রাখা সম্ভব আবার বহু দুরের ছবি উঠানো যাবে এমন ক্যামেরা খুব বেশি নেই এখানে এধরনের প্রধান তিনটি ক্যামেরার পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছেCanon Powershot SX110 IS, Panasonic Lumix DMC ZS3 এবং Nikon L-100. এগুলি সার্টের পকেটে হয়ত বয়ে বেড়ানো সম্ভব হবে না তবে প্যান্টের বা কোটের বড় পকেটে অনায়াসে রাখা সম্ভব

তুলনা থেকে প্রথমেই যা চোখে পড়ে তা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি জুম নিকনের। যদি দুরে ছবি উঠানো প্রধান লক্ষ হয় তাহলে এটা প্রথম পছন্দ হতে পারে, আবার সাথেসাথে লক্ষ্যনীয় এটার আকার (পুরুত্ব) সবচেয়ে বেশি। অন্যদুটি যখন দুই ইঞ্চির নিচে সেখানে এর পুরুত্ব ৩ ইঞ্চির অধিক। ফলে বহন করার বিষয়টি সমস্যা হয়ে দাড়াতে পারে। জুম হিসেবে প্যানাসনিক সবচেয়ে পিছিয়ে থাকলেও আকারে ছোটর দিকে সবচেয়ে এগিয়ে। এক ইঞ্চির সামান্য বেশি। ওজনের ক্ষেত্রেও তাই।

মেগাপিক্সেল হিসেবে নিকন এগিয়ে, ক্যানন পিছিয়ে।

ওয়াইড এঙ্গেলের ক্ষেত্রে প্যানাসনিক সবচেয়ে এগিয়ে। ক্যাননের ৩৬ মিমি কে ঠিক ওয়াইড এঙ্গেল বলা যায় না। ছোট ঘরে কয়েকজনের গ্রুপ ছবি উঠানো সম্ভব হবে না। কখনো কখনো বিষয়কে ফ্রেমের মধ্যে আনতে নিজেকেই বেশ পিছনে যেতে হবে। নিকনের ২৮ চলনসই, প্যানাসনিকের ২৫ বেশ ভাল।

ক্যানন ২টি এবং নিকন ৪টি এএ ব্যাটারী ব্যবহার করে, অন্যদিকে প্যানাসনিক ব্যবহার করে এসএলআরের মত নিজস্ব লিথিয়াম ব্যাটারী। একেকজনের একেক ধরনের ব্যাটারী পছন্দ, তবে এএ ব্যাটারীর অসুবিধে হচ্ছে এতে লিথিয়াম ব্যাটারীর মত দীর্ঘস্থায়িত্বের সুবিধে পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে সুবিধে হচ্ছে যেকোন যায়গায় প্রয়োজনে কিনতে পাওয়া যায়।

৩টি ক্যামেরা বিশ্বের প্রধান ৩টি কোম্পানীর তৈরী। তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। ক্যানন, কিকন (নিকর) এবং প্যানাসনিক (লেইকা) লেন্স সবচেয়ে ভাল লেন্স বলে পরিচিত। এদের মধ্যে কোনটি আপনার কাজের উপযোগী সেটা বেছে নেয়ার দায়িত্ব আপনার।