ইন্টারনেট
ব্যবহার করে মানুষকে ঠকানোর পদ্ধতির অভাব নেই। এমনই একটি পদ্ধতি ব্যবহারকারীর কাছে বার্তা পাঠানো তার কম্পিউটারে অমুক ভাইরাস রয়েছে, অমুক সফটওয়্যার কিনতে হবে। এভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ১৫ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করেছে স্ক্যামাররা। এফবিআই তাদের এক তদন্তের পর একথা জানিয়েছে।
ব্যবহার করে মানুষকে ঠকানোর পদ্ধতির অভাব নেই। এমনই একটি পদ্ধতি ব্যবহারকারীর কাছে বার্তা পাঠানো তার কম্পিউটারে অমুক ভাইরাস রয়েছে, অমুক সফটওয়্যার কিনতে হবে। এভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ১৫ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করেছে স্ক্যামাররা। এফবিআই তাদের এক তদন্তের পর একথা জানিয়েছে।এধরনের স্ক্যাম যে কোন কাজের মধ্যে এসে হাজির হয়। এমন আচরন করে যাথেকে মনে হয় ভাইরাস রয়েছে। সেটা যাচাই করার জন্য পপ-আপ স্ক্রীন হাজির হয়। সেখানে ক্লিক করলে যাচাই করে এবং উল্লেখ করে অমুক-অমুক ভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের কাছে টাকা দিলেই ভাইরাস নির্মুলের বাকি কাজটুকু করা হবে।
এরা সাধারন বিজ্ঞাপন যেভাবে প্রচার করা হয় সেভাবেই এটা ব্যবহার করে। গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক টাইমসের ওয়েবসাইটেও এধরনের বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। এগুলি ভাইরাস হিসেবে কাজ করতে পারে এবং কম্পিউটারের তথ্য নষ্ট করতে পারে, জানিয়েছে এফবিআই এর ইন্টারনেট ক্রাইম কমপ্লায়েন্ট সেন্টার।
তাদের পরামর্শ, এমন লক্ষন দেখা গেলে সাথেসাথে ব্রাউজার কিংবা কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়া এবং স্বিকৃত এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে কোথায় কি হয়েছে সেটা জানার চেষ্টা করা।
No comments:
Post a Comment